ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া আসামি রিয়াজ ফকির (২৬) জীবিত রয়েছেন এবং তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গ্রেপ্তার হওয়া রিয়াজ ফকির বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের ফকিরবাড়ি এলাকার সিদ্দিক ফকিরের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ও চুরির মামলা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে আগৈলঝাড়া ফিলিং স্টেশনসংলগ্ন জাকাত ফকিরের বাড়ির সামনে থেকে রিয়াজকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। জাকাত ফকিরও একাধিক মাদক মামলার আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ। থানায় নেওয়ার পর রিয়াজ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বলেন, রিয়াজ ফকির একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ও চুরির মামলা রয়েছে। এর আগে একবার গ্রেপ্তারের পর তিনি পুলিশের ওপর হামলা করে হাতকড়া নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে পুনরায় আটক করা হয়।
ওসি আরো বলেন, রিয়াজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। কিন্তু একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং এলাকায় গুজব ছড়িয়ে দেয় যে তিনি মারা গেছেন। ওই গুজবের জেরে বিকেলে একদল লোক থানায় হামলা চালায়। হামলায় অন্তত ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
সূত্র: Daily AjKaler Kontho
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ণ
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া আসামি রিয়াজ ফকির (২৬) জীবিত রয়েছেন এবং তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গ্রেপ্তার হওয়া রিয়াজ ফকির বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের ফকিরবাড়ি এলাকার সিদ্দিক ফকিরের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ও চুরির মামলা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে আগৈলঝাড়া ফিলিং স্টেশনসংলগ্ন জাকাত ফকিরের বাড়ির সামনে থেকে রিয়াজকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। জাকাত ফকিরও একাধিক মাদক মামলার আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ। থানায় নেওয়ার পর রিয়াজ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বলেন, রিয়াজ ফকির একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ও চুরির মামলা রয়েছে। এর আগে একবার গ্রেপ্তারের পর তিনি পুলিশের ওপর হামলা করে হাতকড়া নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে পুনরায় আটক করা হয়।
ওসি আরো বলেন, রিয়াজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। কিন্তু একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং এলাকায় গুজব ছড়িয়ে দেয় যে তিনি মারা গেছেন। ওই গুজবের জেরে বিকেলে একদল লোক থানায় হামলা চালায়। হামলায় অন্তত ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
সূত্র: Daily AjKaler Kontho
