পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার স্বরূপকাঠি ইউনিয়নের অলংকারকাঠি এলাকা ও স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে একই রাতে পরপর তিনটি বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা স্বর্ণালংকার, রুপার গহনা ও নগদ অর্থসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ডাকাতির শিকার হওয়া বাড়িগুলো হলো জগন্নাথকাঠি বন্দর সাবেক সভাপতি আব্দুস সালামের বাড়ি, কাঞ্চন কাজীর ছোট ছেলে মোহাম্মদ তপু কাজীর বাড়ি এবং মেজো ছেলে মোহাম্মদ লিটু কাজীর বাড়ি।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল প্রথমে মোহাম্মদ তপু কাজীর বাড়ির পেছনের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। ডাকাতদের হাতে বড় আকৃতির দা, শাবল, রেঞ্চ ও কাঁচি ছিল। তারা প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ আনুমানিক ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তবে পরিবারের সদস্যদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়নি।
এরপর রাত আনুমানিক ২টার দিকে ডাকাত দল মোহাম্মদ লিটু কাজীর টিনশেড ভবনের সামনের লোহার দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকাতরা চার আনা ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি, দুটি রুপার চেইন, দুটি নূপুর এবং নগদ ১২ হাজার টাকা লুট করে। প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানের পর রাত ৩টার দিকে তারা ওই বাড়ি ত্যাগ করে।
একই রাতে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ডাকাতরা জগন্নাথকাঠি বন্দর সাবেক সভাপতি আব্দুস সালামের বাড়ির সামনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সে সময় বাড়িতে আব্দুস সালামের স্ত্রী ও দুই মেয়ে অবস্থান করছিলেন। ডাকাতরা তিনটি স্বর্ণের চেইন, এক জোড়া স্বর্ণের রুলি, একটি স্বর্ণের আংটি, পাঁচটি নাকফুল, দুটি রুপার চেইন, চার জোড়া কানের দুল এবং নগদ প্রায় এক লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, ডাকাতরা কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করেনি। ডাকাত দল ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এলাকা ত্যাগ করে। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানায়।
এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একই রাতে পরপর তিনটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত ডাকাতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং এলাকায় পুলিশি টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার স্বরূপকাঠি ইউনিয়নের অলংকারকাঠি এলাকা ও স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে একই রাতে পরপর তিনটি বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা স্বর্ণালংকার, রুপার গহনা ও নগদ অর্থসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ডাকাতির শিকার হওয়া বাড়িগুলো হলো জগন্নাথকাঠি বন্দর সাবেক সভাপতি আব্দুস সালামের বাড়ি, কাঞ্চন কাজীর ছোট ছেলে মোহাম্মদ তপু কাজীর বাড়ি এবং মেজো ছেলে মোহাম্মদ লিটু কাজীর বাড়ি।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল প্রথমে মোহাম্মদ তপু কাজীর বাড়ির পেছনের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। ডাকাতদের হাতে বড় আকৃতির দা, শাবল, রেঞ্চ ও কাঁচি ছিল। তারা প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ আনুমানিক ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তবে পরিবারের সদস্যদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়নি।
এরপর রাত আনুমানিক ২টার দিকে ডাকাত দল মোহাম্মদ লিটু কাজীর টিনশেড ভবনের সামনের লোহার দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকাতরা চার আনা ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি, দুটি রুপার চেইন, দুটি নূপুর এবং নগদ ১২ হাজার টাকা লুট করে। প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানের পর রাত ৩টার দিকে তারা ওই বাড়ি ত্যাগ করে।
একই রাতে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ডাকাতরা জগন্নাথকাঠি বন্দর সাবেক সভাপতি আব্দুস সালামের বাড়ির সামনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সে সময় বাড়িতে আব্দুস সালামের স্ত্রী ও দুই মেয়ে অবস্থান করছিলেন। ডাকাতরা তিনটি স্বর্ণের চেইন, এক জোড়া স্বর্ণের রুলি, একটি স্বর্ণের আংটি, পাঁচটি নাকফুল, দুটি রুপার চেইন, চার জোড়া কানের দুল এবং নগদ প্রায় এক লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, ডাকাতরা কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করেনি। ডাকাত দল ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এলাকা ত্যাগ করে। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানায়।
এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একই রাতে পরপর তিনটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত ডাকাতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং এলাকায় পুলিশি টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
