উত্তমের ভাইয়ের ছেলে চয়ন মিস্ত্রী বাড়ি জলাবারি ইউনিয়নের আতা গ্রামে, উত্তমের টোটাল পরিবারের ইন্ডিয়াতে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, আই কার্ড, ব্যাংক একাউন্ট, জায়গা কেনা, বাড়ি করাসহ ইন্ডিয়ার সকল কাজে বাংলাদেশী একমাত্র সহায়তাকারী। উত্তমের পরিবারের সাথে বহুবার ইন্ডিয়া গেছে এবং প্রতিবারই চয়ন তার সফর সঙ্গী ছিলেন স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত বছর দূর্গা পূজার সময় তার বউ বাচ্চা ইন্ডিয়া পালাতে প্রত্যক্ষ সহায়তাকারী হিসেবে চয়নকে সন্দেহ করে সমিতির সদস্যরা । চয়ন বর্তমানে বসবাস করেন বরিশালে তার শ্যালকের বাসার, জানা গেছে চয়নের শ্যালক স্বরুপকাঠি হাসপাতালের ডাক্তার। এছাড়া উত্তমের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান "মেসার্স উর্বা ট্রেডার্স" এর সকল হিসাব ও কাজ চয়ন পরিচালিত করত, জানা যায় ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মারফত কয়েক কোটি টাকা এই চয়ন মিস্ত্রী আত্মসাত করেছে। চয়নের বিরুদ্ধেও বেশ কয়েকজনের আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে কয়েকজন দাবি করেছে। অন্যদিকে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় থানায় উত্তম সহ একাধিক ব্যক্তির নামে মামলা আছে, সেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর গৌতম হালদার অধিকতর তদন্তের জন্য চয়নকে একাধিকবার ফোন দিলেও চয়ন ফোন রিসিভ করেনি।