জানা গেছে, তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাজধানী মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল (IGMH)-এ ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মালদ্বীপের স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মরহুম শেখ ফরিদ মালদ্বীপ বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের খালাতো ভাই ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মালদ্বীপ বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামসহ দলের অনেক নেতাকর্মী হাসপাতালে ছুটে যান। তারা মরহুমের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
ব্যক্তিজীবনে শেখ ফরিদ ছিলেন দুই সন্তানের জনক। তিনি রেখে গেছেন স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীকে। তাঁর অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া, আর স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে গ্রামের বাড়ির পরিবেশ।
এদিকে, মরহুমের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালদ্বীপ প্রয়োজনীয় সকল আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মরহুমের পরিবার দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেছেন।
প্রবাসীরা বলেন আল্লাহ তাআলা মরহুম শেখ ফরিদকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন, তাঁর সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ণ
জানা গেছে, তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাজধানী মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল (IGMH)-এ ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মালদ্বীপের স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মরহুম শেখ ফরিদ মালদ্বীপ বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের খালাতো ভাই ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মালদ্বীপ বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামসহ দলের অনেক নেতাকর্মী হাসপাতালে ছুটে যান। তারা মরহুমের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
ব্যক্তিজীবনে শেখ ফরিদ ছিলেন দুই সন্তানের জনক। তিনি রেখে গেছেন স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীকে। তাঁর অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া, আর স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে গ্রামের বাড়ির পরিবেশ।
এদিকে, মরহুমের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালদ্বীপ প্রয়োজনীয় সকল আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মরহুমের পরিবার দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেছেন।
প্রবাসীরা বলেন আল্লাহ তাআলা মরহুম শেখ ফরিদকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন, তাঁর সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
