কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য জনবল নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, প্রক্সি এবং প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একাধিক প্রার্থী ফলাফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।অভিযোগকারীদের দাবি, লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে বিভিন্ন অসঙ্গতি লক্ষ্য করা গেছে।
প্রকাশিত তালিকায় একই পরিবারের সদস্য বা পিতা-পুত্রের নাম থাকার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাদের অভিযোগ, ফলাফল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হয়নি, যার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকজন প্রার্থীর অভিযোগ, পরীক্ষার সময় নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার কারণে তারা নির্ধারিত সময়ে উত্তর দিতে পারেননি।
এছাড়া প্রক্সি, স্বজনপ্রীতি এবং পর্দার আড়ালে প্রভাব খাটিয়ে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পকে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে অনেকেই বলেছেন, অতীতে যারা এ প্রকল্প নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছিলেন, তারাও এখন শুমারির কাজে অংশ নিতে আগ্রহী হওয়ায় প্রকল্পটির গ্রহণযোগ্যতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
সচেতন মহল মনে করছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে যেহেতু প্রশ্ন উঠেছে, তাই উপজেলা প্রশাসনের উচিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা। প্রয়োজনে ফলাফল পুনঃযাচাই এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে জনআস্থা বজায় থাকবে।
এদিকে, মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য উত্তীর্ণ প্রার্থীদের যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শুমারি কার্যক্রম পরিচালনার সময় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, তথ্য গোপন বা অনিয়ম না করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য জনবল নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, প্রক্সি এবং প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একাধিক প্রার্থী ফলাফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।অভিযোগকারীদের দাবি, লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে বিভিন্ন অসঙ্গতি লক্ষ্য করা গেছে।
প্রকাশিত তালিকায় একই পরিবারের সদস্য বা পিতা-পুত্রের নাম থাকার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাদের অভিযোগ, ফলাফল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হয়নি, যার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকজন প্রার্থীর অভিযোগ, পরীক্ষার সময় নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার কারণে তারা নির্ধারিত সময়ে উত্তর দিতে পারেননি।
এছাড়া প্রক্সি, স্বজনপ্রীতি এবং পর্দার আড়ালে প্রভাব খাটিয়ে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পকে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে অনেকেই বলেছেন, অতীতে যারা এ প্রকল্প নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছিলেন, তারাও এখন শুমারির কাজে অংশ নিতে আগ্রহী হওয়ায় প্রকল্পটির গ্রহণযোগ্যতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
সচেতন মহল মনে করছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে যেহেতু প্রশ্ন উঠেছে, তাই উপজেলা প্রশাসনের উচিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা। প্রয়োজনে ফলাফল পুনঃযাচাই এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে জনআস্থা বজায় থাকবে।
এদিকে, মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য উত্তীর্ণ প্রার্থীদের যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শুমারি কার্যক্রম পরিচালনার সময় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, তথ্য গোপন বা অনিয়ম না করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
