ঢাকার সাভারের উলাইল ভান্ডারী মোড় এলাকার 'দাওয়াতুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার' প্রিন্সিপাল শায়েখ ক্বারী মোহাম্মদ আনাস আলীর বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ ওঠার পরদিনই অভিযুক্ত প্রিন্সিপালসহ মাদ্রাসার সব শিক্ষক পালিয়ে গেছেন।
সিরাজুল ইসলামের তিনতলা ভবনের তিনতলায় এই মাদ্রাসাটি পরিচালিত হতো।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মাদ্রাসায় প্রিন্সিপাল ছাড়াও চারজন পুরুষ শিক্ষক, তিনজন নারী শিক্ষক এবং প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ জন শিক্ষার্থী ছিল।
ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা মাদ্রাসা ঘেরাও করেন। পরে বাড়িওয়ালার ফোন পেয়ে '৯৯৯'-এর মাধ্যমে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফেলে যাওয়া ১২ জন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে।
এক গার্মেন্টস কর্মী অভিভাবক সংবাদ পেয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে দেখেন তার ৬ বছরের শিশু সন্তান আব্দুল্লাহ আল মাহিন সেখানে নেই।
আতঙ্কিত হয়ে প্রিন্সিপালকে ফোন করা হলে তিনি জানান শিশুটি বাড়িতে গেছে। তবে শিশুটি বাড়ি না ফেরায় এবং পরে প্রিন্সিপালের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় পরিবারটি চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।
সাভার মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, রেখে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষক পালিয়ে যাওয়া এবং শিশু নিখোঁজের ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্ত প্রিন্সিপালসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ণ
ঢাকার সাভারের উলাইল ভান্ডারী মোড় এলাকার 'দাওয়াতুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার' প্রিন্সিপাল শায়েখ ক্বারী মোহাম্মদ আনাস আলীর বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ ওঠার পরদিনই অভিযুক্ত প্রিন্সিপালসহ মাদ্রাসার সব শিক্ষক পালিয়ে গেছেন।
সিরাজুল ইসলামের তিনতলা ভবনের তিনতলায় এই মাদ্রাসাটি পরিচালিত হতো।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মাদ্রাসায় প্রিন্সিপাল ছাড়াও চারজন পুরুষ শিক্ষক, তিনজন নারী শিক্ষক এবং প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ জন শিক্ষার্থী ছিল।
ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা মাদ্রাসা ঘেরাও করেন। পরে বাড়িওয়ালার ফোন পেয়ে '৯৯৯'-এর মাধ্যমে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফেলে যাওয়া ১২ জন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে।
এক গার্মেন্টস কর্মী অভিভাবক সংবাদ পেয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে দেখেন তার ৬ বছরের শিশু সন্তান আব্দুল্লাহ আল মাহিন সেখানে নেই।
আতঙ্কিত হয়ে প্রিন্সিপালকে ফোন করা হলে তিনি জানান শিশুটি বাড়িতে গেছে। তবে শিশুটি বাড়ি না ফেরায় এবং পরে প্রিন্সিপালের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় পরিবারটি চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।
সাভার মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, রেখে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষক পালিয়ে যাওয়া এবং শিশু নিখোঁজের ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্ত প্রিন্সিপালসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
