সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, গ্রিন ও ক্লিন সিলেট গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তবে এ উদ্যোগ সফল করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে নগরবাসীকেই। নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সিসিক প্রশাসকের নেতৃত্বে নগর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নগর ভবনে এসে শেষ হয়। র্যালিতে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “পরিবেশ বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে।” তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিকল্প নেই। তাই সিলেট সিটি কর্পোরেশন পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
তিনি জানান, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগর এলাকায় অন্তত ৫০ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ে তুলতে নিয়মিতভাবে ছড়া, খাল ও ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। নগরবাসী যদি নির্ধারিত স্থানে আবর্জনা ফেলেন, পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হন এবং বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসেন, তাহলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অবশ্যই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
র্যালিতে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, লাইসেন্স কর্মকর্তা রুবেল আহমদসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ণ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, গ্রিন ও ক্লিন সিলেট গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তবে এ উদ্যোগ সফল করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে নগরবাসীকেই। নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সিসিক প্রশাসকের নেতৃত্বে নগর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নগর ভবনে এসে শেষ হয়। র্যালিতে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “পরিবেশ বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে।” তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিকল্প নেই। তাই সিলেট সিটি কর্পোরেশন পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
তিনি জানান, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগর এলাকায় অন্তত ৫০ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ে তুলতে নিয়মিতভাবে ছড়া, খাল ও ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। নগরবাসী যদি নির্ধারিত স্থানে আবর্জনা ফেলেন, পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হন এবং বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসেন, তাহলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অবশ্যই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
র্যালিতে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, লাইসেন্স কর্মকর্তা রুবেল আহমদসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
