পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে ডুবে ওসমান গনী (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শিশু ওসমান একই গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে শিশুটির বাবা পঞ্চগড়ে আদালতের কাজে আসেন। এদিকে শিশুটির মা বাড়ির কাজে ছিলেন। শিশুটি বাড়ির আঙ্গিনায় খেলা করছিল। পরে সকলের অগোচরে বাড়ির বাইরে বের হলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পানিতে পড়ে যায়।
এদিকে, শিশুটিকে তার মা দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান তারা।
একসময় স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত তাকে সেখান থেকে উদ্ধার পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিশ্বজিত কুণ্ডু তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক ( তদন্ত) আশীষ কুমার শীল শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ
সুরতহাল শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে ডুবে ওসমান গনী (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শিশু ওসমান একই গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে শিশুটির বাবা পঞ্চগড়ে আদালতের কাজে আসেন। এদিকে শিশুটির মা বাড়ির কাজে ছিলেন। শিশুটি বাড়ির আঙ্গিনায় খেলা করছিল। পরে সকলের অগোচরে বাড়ির বাইরে বের হলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পানিতে পড়ে যায়।
এদিকে, শিশুটিকে তার মা দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান তারা।
একসময় স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত তাকে সেখান থেকে উদ্ধার পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিশ্বজিত কুণ্ডু তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক ( তদন্ত) আশীষ কুমার শীল শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ
সুরতহাল শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
