রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ৬শ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে -মির্জা ফখরুল



২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ৬শ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে -মির্জা ফখরুল
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ৬শ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ে - মির্জা ফখরুল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রথম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলো। আমরা প্রায় এক ঘন্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা করেছি। 

 হাসপতালের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে। আপনাদের জন্য একটি সুখবর দিতে চাই, সেটি হলো, আমাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালটি এখন ৬শ শয্যায় রুপান্তর করা হবে। আমরা হয়তো আর কিছুদিনের মধ্যে ৬শ শয্যা হাসপাতালের জন্য চিকিৎসক, টেকনিশিয়ান, যন্ত্রপাতি, ঔষধ এবং প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চালুর ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করবো। তিনি সোমবার সন্ধ্যায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের এখানে কিছু সমস্যাও বিদ্যমান। সেগুলোর মধ্যে এখানে রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। ২৫০ শয্যা হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৬শ রোগী ভর্তি হয় ফলে এত বেশি রোগীকে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়। এক্ষেত্রে আজও প্রায় ৬৩০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। 

অন্যদিকে বর্তমানে ৮৪ জন চিকিৎসকের বিপরীতে বর্তমানে ডাক্তার রয়েছেন মাত্র ৪৫ জন। ফলে এত বেশি সংখ্যক রোগীকে সেবা দেওয়াও কষ্টকর হয়ে পরে। এখানে প্রায় ৩৩ জন মেডিকেল অফিসার ঘাটতি রয়েছে। এখানে আরও একটি বড় সমস্যা হলো মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ করা। 

এখানে এটি অপসারনের কোন মেশিন ছিলো না, আমি জিজ্ঞেস করেছি এটির দাম কত? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এটির দাম প্রায় ৮/৯ লাখ টাকার মতো; আমি বলেছি এই মেশিনটি আমি ২/১ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা করে দিবো।



হাসপাতালের বিভিন্ন জরুরী জিনিস প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের সবচেয়ে বেশি যে দরকার; সেটা হলো আপনাদের সকলের সহযোগিতা। এখানে আরও একটি সমস্যা হলো গরু-ছাগল ঘুরাঘুরি করে। এ কারনে আমরা ইতিমধ্যে ৩০ জন আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছি। আমরা চেষ্টা করছি যাতে একটি আধুনিক হাসপাতাল হয়। 

আমাদের আইসিইউ নেই; প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই, এমআরআই মেশিন নেই; এই জিনিসগুলো আদায় করার চেষ্টা করবো। আমরা এখানে খুব শীঘ্রই স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আসতে চাই। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাজও খুব দ্রুত এগিয়ে চলেছে।   


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো: বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: পয়গাম আলী, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: ফিরোজ জামান জুয়েল, সিভিল সার্জন ডা: মো: আব্দুর রহমানসহ অন্যান্য চিকিৎসক, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার কমিটির সদস্যবৃন্দ।


এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ৬শ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে -মির্জা ফখরুল

প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ণ

featured Image

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রথম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলো। আমরা প্রায় এক ঘন্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা করেছি। 

 হাসপতালের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে। আপনাদের জন্য একটি সুখবর দিতে চাই, সেটি হলো, আমাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালটি এখন ৬শ শয্যায় রুপান্তর করা হবে। আমরা হয়তো আর কিছুদিনের মধ্যে ৬শ শয্যা হাসপাতালের জন্য চিকিৎসক, টেকনিশিয়ান, যন্ত্রপাতি, ঔষধ এবং প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চালুর ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করবো। তিনি সোমবার সন্ধ্যায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের এখানে কিছু সমস্যাও বিদ্যমান। সেগুলোর মধ্যে এখানে রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। ২৫০ শয্যা হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৬শ রোগী ভর্তি হয় ফলে এত বেশি রোগীকে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়। এক্ষেত্রে আজও প্রায় ৬৩০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। 

অন্যদিকে বর্তমানে ৮৪ জন চিকিৎসকের বিপরীতে বর্তমানে ডাক্তার রয়েছেন মাত্র ৪৫ জন। ফলে এত বেশি সংখ্যক রোগীকে সেবা দেওয়াও কষ্টকর হয়ে পরে। এখানে প্রায় ৩৩ জন মেডিকেল অফিসার ঘাটতি রয়েছে। এখানে আরও একটি বড় সমস্যা হলো মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ করা। 

এখানে এটি অপসারনের কোন মেশিন ছিলো না, আমি জিজ্ঞেস করেছি এটির দাম কত? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এটির দাম প্রায় ৮/৯ লাখ টাকার মতো; আমি বলেছি এই মেশিনটি আমি ২/১ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা করে দিবো।



হাসপাতালের বিভিন্ন জরুরী জিনিস প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের সবচেয়ে বেশি যে দরকার; সেটা হলো আপনাদের সকলের সহযোগিতা। এখানে আরও একটি সমস্যা হলো গরু-ছাগল ঘুরাঘুরি করে। এ কারনে আমরা ইতিমধ্যে ৩০ জন আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছি। আমরা চেষ্টা করছি যাতে একটি আধুনিক হাসপাতাল হয়। 

আমাদের আইসিইউ নেই; প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই, এমআরআই মেশিন নেই; এই জিনিসগুলো আদায় করার চেষ্টা করবো। আমরা এখানে খুব শীঘ্রই স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আসতে চাই। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাজও খুব দ্রুত এগিয়ে চলেছে।   


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো: বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: পয়গাম আলী, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: ফিরোজ জামান জুয়েল, সিভিল সার্জন ডা: মো: আব্দুর রহমানসহ অন্যান্য চিকিৎসক, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার কমিটির সদস্যবৃন্দ।



ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ৬শ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে -মির্জা ফখরুল
0:00 / 0:00
1x