জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এক বৈঠকে ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে তিনি বিশ্বজুড়ে টেকসই শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই সংস্কৃতির অপরিহার্যতা তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত চৌধুরী তার বক্তব্যে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সংলাপ এবং সহনশীলতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “শান্তি শুধুমাত্র যুদ্ধের অনুপস্থিতি নয়, বরং এটি একটি সক্রিয় প্রক্রিয়া যেখানে সহাবস্থান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য। বাংলাদেশ সবসময়ই বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে সোচ্চার এবং এই প্রস্তাব আমাদের সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।”
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রস্তাবটি সাধারণ পরিষদের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তির বার্তা প্রচারে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এক বৈঠকে ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে তিনি বিশ্বজুড়ে টেকসই শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই সংস্কৃতির অপরিহার্যতা তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত চৌধুরী তার বক্তব্যে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সংলাপ এবং সহনশীলতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “শান্তি শুধুমাত্র যুদ্ধের অনুপস্থিতি নয়, বরং এটি একটি সক্রিয় প্রক্রিয়া যেখানে সহাবস্থান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য। বাংলাদেশ সবসময়ই বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে সোচ্চার এবং এই প্রস্তাব আমাদের সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।”
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রস্তাবটি সাধারণ পরিষদের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তির বার্তা প্রচারে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করবে।
