রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

আবেদন জমা দিলেন মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী

কুমিল্লার ঐতিহাসিক ‘নটির/বাইখি নুরজাহান মসজিদ’ সংরক্ষণে উদ্যোগ


মো: শাহজাহান বাশার
মো: শাহজাহান বাশার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

কুমিল্লার ঐতিহাসিক ‘নটির/বাইখি নুরজাহান মসজিদ’ সংরক্ষণে উদ্যোগ
কুমিল্লার ঐতিহাসিক ‘নটির/বাইখি নুরজাহান মসজিদ’ সংরক্ষণে উদ্যোগ, আবেদন জমা দিলেন মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী

কুমিল্লা সদর উপজেলার মারিশিয়া গ্রামের প্রায় ৩০০ বছর প্রাচীন ঐতিহাসিক 'নটির/বাইখি নুরজাহান মসজিদ' সংরক্ষণ ও সংস্কারের দাবিতে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পৃথক আবেদন জমা দেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কুমিল্লা সদর উপজেলার গোমতী নদীর উত্তর তীরবর্তী মারিশিয়া গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক এই মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন, অবহেলা, প্রাকৃতিক ক্ষয় এবং বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে ধ্বংসের মুখে রয়েছে। দ্রুত সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনা চিরতরে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, স্থানীয় জনশ্রুতি অনুযায়ী তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের শাসনামলে নুর জাহান নামে এক নারী এই মসজিদ নির্মাণ করেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণার সুযোগ রয়েছে, তবুও এটি কুমিল্লার ইতিহাস, লোকঐতিহ্য ও মুসলিম স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।

মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বলেন, “মসজিদটির দেয়াল, গম্বুজ ও মূল কাঠামো বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যথাযথ সংরক্ষণ করা গেলে এটি শুধু ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবেই নয়, বরং কুমিল্লার অন্যতম ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।”

তিনি প্রশাসনের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ, সংরক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের আহ্বান জানান।

স্থানীয় সচেতন মহলও মনে করছেন, কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় এমন প্রাচীন স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। তারা দ্রুত সরকারি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


কুমিল্লার ঐতিহাসিক ‘নটির/বাইখি নুরজাহান মসজিদ’ সংরক্ষণে উদ্যোগ

প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ

featured Image

কুমিল্লা সদর উপজেলার মারিশিয়া গ্রামের প্রায় ৩০০ বছর প্রাচীন ঐতিহাসিক 'নটির/বাইখি নুরজাহান মসজিদ' সংরক্ষণ ও সংস্কারের দাবিতে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পৃথক আবেদন জমা দেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কুমিল্লা সদর উপজেলার গোমতী নদীর উত্তর তীরবর্তী মারিশিয়া গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক এই মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন, অবহেলা, প্রাকৃতিক ক্ষয় এবং বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে ধ্বংসের মুখে রয়েছে। দ্রুত সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনা চিরতরে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, স্থানীয় জনশ্রুতি অনুযায়ী তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের শাসনামলে নুর জাহান নামে এক নারী এই মসজিদ নির্মাণ করেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণার সুযোগ রয়েছে, তবুও এটি কুমিল্লার ইতিহাস, লোকঐতিহ্য ও মুসলিম স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।

মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বলেন, “মসজিদটির দেয়াল, গম্বুজ ও মূল কাঠামো বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যথাযথ সংরক্ষণ করা গেলে এটি শুধু ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবেই নয়, বরং কুমিল্লার অন্যতম ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।”

তিনি প্রশাসনের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ, সংরক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের আহ্বান জানান।

স্থানীয় সচেতন মহলও মনে করছেন, কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় এমন প্রাচীন স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। তারা দ্রুত সরকারি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
কুমিল্লার ঐতিহাসিক ‘নটির/বাইখি নুরজাহান মসজিদ’ সংরক্ষণে উদ্যোগ
0:00 / 0:00
1x