ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সরকারি কলেজের পাশে সাত বছরের এক শিশু কন্যাকে ফুসকার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
আজ বৃহস্পতিবার ২৪ জুলাই এই ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে শিশুটি। ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে শাকিল মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে উত্তেজিত জনতা। আটককৃত শাকিল মিয়া সরাইল সদরের সকাল বাজার এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শাকিল ওই শিশুটিকে ফুসকা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে সরাইল সরকারি কলেজের পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে সে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিশুটির কান্নাকাটি ও সন্দেহজনক পরিস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন এবং শাকিলকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।এই নৃশংস ও বর্বরোচিত ঘটনার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
সরাইলের সর্বস্তরের জনগণ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত শাকিলের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, "স্থানীয় জনতা এক যুবককে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের অপরাধ রুখতে পরিবার ও সমাজসহ সবার সচেতন হওয়া এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সরকারি কলেজের পাশে সাত বছরের এক শিশু কন্যাকে ফুসকার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
আজ বৃহস্পতিবার ২৪ জুলাই এই ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে শিশুটি। ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে শাকিল মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে উত্তেজিত জনতা। আটককৃত শাকিল মিয়া সরাইল সদরের সকাল বাজার এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শাকিল ওই শিশুটিকে ফুসকা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে সরাইল সরকারি কলেজের পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে সে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিশুটির কান্নাকাটি ও সন্দেহজনক পরিস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন এবং শাকিলকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।এই নৃশংস ও বর্বরোচিত ঘটনার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
সরাইলের সর্বস্তরের জনগণ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত শাকিলের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, "স্থানীয় জনতা এক যুবককে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের অপরাধ রুখতে পরিবার ও সমাজসহ সবার সচেতন হওয়া এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে।
