রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বঙ্গভবনের অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিগগিরই সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করায় এই জল্পনা আরও জোরালো রূপ নিয়েছে।
পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে পারেন এবং স্বাস্থ্যগত কারণে বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত মে মাসে যুক্তরাজ্য সফরের সময় কেমব্রিজের রয়্যাল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে তার হৃদযন্ত্রের ধমনিতে ব্লক ধরা পড়ায় এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে স্টেন্ট বসানো হয়।
বঙ্গভবনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রায়ই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলতেন।
সরকারের পাশাপাশি বিএনপি ও বঙ্গভবনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকারের বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। পদ শূন্য হলে ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন এবং ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল শপথ নেওয়া মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সংসদ নির্বাচনের পর দায়িত্ব ছাড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বঙ্গভবনের অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিগগিরই সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করায় এই জল্পনা আরও জোরালো রূপ নিয়েছে।
পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে পারেন এবং স্বাস্থ্যগত কারণে বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত মে মাসে যুক্তরাজ্য সফরের সময় কেমব্রিজের রয়্যাল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে তার হৃদযন্ত্রের ধমনিতে ব্লক ধরা পড়ায় এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে স্টেন্ট বসানো হয়।
বঙ্গভবনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রায়ই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলতেন।
সরকারের পাশাপাশি বিএনপি ও বঙ্গভবনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকারের বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। পদ শূন্য হলে ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন এবং ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল শপথ নেওয়া মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সংসদ নির্বাচনের পর দায়িত্ব ছাড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
