রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

স্পেনকে বদলে দেওয়া দুই অভিবাসী সন্তানের অবিশ্বাস্য ফুটবল গল্প


মো: মনিরুজ্জামান
মো: মনিরুজ্জামান বার্তা বিভাগ প্রধান
প্রকাশ : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

স্পেনকে বদলে দেওয়া দুই অভিবাসী সন্তানের অবিশ্বাস্য ফুটবল গল্প
নিকো ও ইয়ামালের সবকিছুই এক ধরনের আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে |সংগৃহীত

লামিন ইয়ামালের প্রতিভা দেখে তাকে বার্সেলোনায় ট্রায়ালের জন্য নেওয়া হয় এবং তিনি লা মাসিয়ায় সুযোগ পান, যে অ্যাকাডেমিতে মেসিও প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। সেখানে তার থাকার ব্যবস্থা, খাবার, শিক্ষা ও ফুটবল উন্নয়নের সুযোগ ছিল। বিবিসি স্পোর্টের কলামিস্ট গিইয়েম বালাগে ইয়ামাল সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি এমন একজন উদার ছেলে যিনি স্বীকৃতির পেছনে ছুটতেন না।

এরপর একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছেন ইয়ামাল। ১৫ বছর ২৯০ দিন বয়সে তিনি বার্সেলোনার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হন এবং ১৬ বছর ৫৭ দিন বয়সে তিনি স্পেন জাতীয় দলের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় ও গোলদাতা হন। ১৯ বছর ছয় দিন বয়সে তিনি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপ, দুটি শিরোপাই জেতা ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হন।

স্পেন জাতীয় দলের এই প্রজন্মে নিকো নতুন এক আত্মার সঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন লামিন ইয়ামালের মধ্যে। তাদের বন্ধুত্বের শুরু ২০২৪ সালে জাতীয় দলে প্রথম ডাক পাওয়ার সময়, যেখানে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিকোকে তরুণ লামিন ইয়ামালের দেখভাল করতে বলেছিলেন। নিকো ও ইয়ামালের গল্প অনেক মানুষের জন্য উদাহরণ, যারা নতুন জীবনের খোঁজে বেরিয়ে এসে সফল হতে পেরেছেন।

নিকো এবং তার বড় ভাই ইনিয়াকি উইলিয়ামস স্পেনেই জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তাদের বেড়ে ওঠা সেখানেই। তাদের মা মারিয়া ১৯৯৪ সালে স্বামী ফেলিক্সকে নিয়ে ইউরোপে একটি ভালো জীবনের সন্ধানে ঘানা ছেড়েছিলেন এবং যাত্রার বেশিভাগ পথই তারা হেঁটে অতিক্রম করেছিলেন। বর্তমানে এই দুই তরুণ ফুটবলার শুধু মাঠের খেলায় নয়, বরং তাদের মানবিক আদর্শ দিয়েও সারা বিশ্বে নিজেদের অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


স্পেনকে বদলে দেওয়া দুই অভিবাসী সন্তানের অবিশ্বাস্য ফুটবল গল্প

প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ণ

featured Image

লামিন ইয়ামালের প্রতিভা দেখে তাকে বার্সেলোনায় ট্রায়ালের জন্য নেওয়া হয় এবং তিনি লা মাসিয়ায় সুযোগ পান, যে অ্যাকাডেমিতে মেসিও প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। সেখানে তার থাকার ব্যবস্থা, খাবার, শিক্ষা ও ফুটবল উন্নয়নের সুযোগ ছিল। বিবিসি স্পোর্টের কলামিস্ট গিইয়েম বালাগে ইয়ামাল সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি এমন একজন উদার ছেলে যিনি স্বীকৃতির পেছনে ছুটতেন না।

এরপর একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছেন ইয়ামাল। ১৫ বছর ২৯০ দিন বয়সে তিনি বার্সেলোনার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হন এবং ১৬ বছর ৫৭ দিন বয়সে তিনি স্পেন জাতীয় দলের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় ও গোলদাতা হন। ১৯ বছর ছয় দিন বয়সে তিনি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপ, দুটি শিরোপাই জেতা ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হন।

স্পেন জাতীয় দলের এই প্রজন্মে নিকো নতুন এক আত্মার সঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন লামিন ইয়ামালের মধ্যে। তাদের বন্ধুত্বের শুরু ২০২৪ সালে জাতীয় দলে প্রথম ডাক পাওয়ার সময়, যেখানে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিকোকে তরুণ লামিন ইয়ামালের দেখভাল করতে বলেছিলেন। নিকো ও ইয়ামালের গল্প অনেক মানুষের জন্য উদাহরণ, যারা নতুন জীবনের খোঁজে বেরিয়ে এসে সফল হতে পেরেছেন।

নিকো এবং তার বড় ভাই ইনিয়াকি উইলিয়ামস স্পেনেই জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তাদের বেড়ে ওঠা সেখানেই। তাদের মা মারিয়া ১৯৯৪ সালে স্বামী ফেলিক্সকে নিয়ে ইউরোপে একটি ভালো জীবনের সন্ধানে ঘানা ছেড়েছিলেন এবং যাত্রার বেশিভাগ পথই তারা হেঁটে অতিক্রম করেছিলেন। বর্তমানে এই দুই তরুণ ফুটবলার শুধু মাঠের খেলায় নয়, বরং তাদের মানবিক আদর্শ দিয়েও সারা বিশ্বে নিজেদের অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
স্পেনকে বদলে দেওয়া দুই অভিবাসী সন্তানের অবিশ্বাস্য ফুটবল গল্প
0:00 / 0:00
1x