স্পেন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যে জানা গেছে, এবারের বিশ্বকাপে ১০৪টি ম্যাচে মোট দর্শকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ১০ হাজার। রাউন্ড অব ৩২-এ ফ্রান্স ও সুইডেনের ম্যাচ চলাকালেই ৫০ লাখ দর্শকের মাইলফলক অতিক্রম করে এই টুর্নামেন্ট। এর আগে ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩৮টি টিকিট বিক্রির রেকর্ড ছিল।
উচ্চ টিকিটমূল্য নিয়ে বিতর্ক থাকলেও স্টেডিয়ামগুলোর গড় আসন পূরণের হার ছিল রেকর্ড ৯৯ দশমিক সাত শতাংশ এবং প্রতি ম্যাচে গড় দর্শক উপস্থিতি ছিল ৬৫ হাজার ৩৫১ জন। আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর স্টেডিয়ামগুলোর পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে টেলিভিশন ও ডিজিটাল মাধ্যমেও দর্শকের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে। এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, প্রায় ৬০০ কোটি মানুষ এই বিশ্বকাপ দেখেছেন।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানান, ৪৮ দলের এই সম্প্রসারিত আসরে টেলিভিশনে দর্শক সংখ্যা আগের সব রেকর্ডকে অনেক গুণ ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখেছিলেন প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ, যা ২০১৮ সালের ১১২ কোটি দর্শকের রেকর্ড ভেঙেছিল। ফিফার হিসাব অনুযায়ী, রাউন্ড অব ১৬ শেষ হওয়ার আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটে বিশ্বের প্রায় ৫২০ কোটি মানুষ অন্তত একবার হলেও টুর্নামেন্টের সাথে যুক্ত হয়েছেন।
অতিরিক্ত ১৬টি দল যুক্ত হওয়ায় টুর্নামেন্টের পরিধি বাড়ার পাশাপাশি সামগ্রিক সাফল্য ফিফার সব প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এবার অংশগ্রহণকারী দল ও খেলোয়াড়দের জন্য বরাদ্দসহ মোট পুরস্কার তহবিল বাড়িয়ে ৮৭ কোটি ১০ লাখ ডলার করা হয়, যা কাতার বিশ্বকাপের ৪৪ কোটি ডলারের তুলনায় অনেক বেশি। ফিফা আশা করছে, এই বিশ্বকাপ থেকে তাদের মোট আয় ৭০০ কোটি ইউরো অতিক্রম করবে, যা ২০২২ সালের আসরের তুলনায় ৫৬ শতাংশ বেশি।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ণ
স্পেন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যে জানা গেছে, এবারের বিশ্বকাপে ১০৪টি ম্যাচে মোট দর্শকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ১০ হাজার। রাউন্ড অব ৩২-এ ফ্রান্স ও সুইডেনের ম্যাচ চলাকালেই ৫০ লাখ দর্শকের মাইলফলক অতিক্রম করে এই টুর্নামেন্ট। এর আগে ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩৮টি টিকিট বিক্রির রেকর্ড ছিল।
উচ্চ টিকিটমূল্য নিয়ে বিতর্ক থাকলেও স্টেডিয়ামগুলোর গড় আসন পূরণের হার ছিল রেকর্ড ৯৯ দশমিক সাত শতাংশ এবং প্রতি ম্যাচে গড় দর্শক উপস্থিতি ছিল ৬৫ হাজার ৩৫১ জন। আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর স্টেডিয়ামগুলোর পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে টেলিভিশন ও ডিজিটাল মাধ্যমেও দর্শকের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে। এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, প্রায় ৬০০ কোটি মানুষ এই বিশ্বকাপ দেখেছেন।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানান, ৪৮ দলের এই সম্প্রসারিত আসরে টেলিভিশনে দর্শক সংখ্যা আগের সব রেকর্ডকে অনেক গুণ ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখেছিলেন প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ, যা ২০১৮ সালের ১১২ কোটি দর্শকের রেকর্ড ভেঙেছিল। ফিফার হিসাব অনুযায়ী, রাউন্ড অব ১৬ শেষ হওয়ার আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটে বিশ্বের প্রায় ৫২০ কোটি মানুষ অন্তত একবার হলেও টুর্নামেন্টের সাথে যুক্ত হয়েছেন।
অতিরিক্ত ১৬টি দল যুক্ত হওয়ায় টুর্নামেন্টের পরিধি বাড়ার পাশাপাশি সামগ্রিক সাফল্য ফিফার সব প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এবার অংশগ্রহণকারী দল ও খেলোয়াড়দের জন্য বরাদ্দসহ মোট পুরস্কার তহবিল বাড়িয়ে ৮৭ কোটি ১০ লাখ ডলার করা হয়, যা কাতার বিশ্বকাপের ৪৪ কোটি ডলারের তুলনায় অনেক বেশি। ফিফা আশা করছে, এই বিশ্বকাপ থেকে তাদের মোট আয় ৭০০ কোটি ইউরো অতিক্রম করবে, যা ২০২২ সালের আসরের তুলনায় ৫৬ শতাংশ বেশি।
