রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
ONE NEWS EXPRESS

ড্রেনে সেপটিক ট্যাংকের সংযোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: দ্রুত বিচ্ছিন্নের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের


স্বপন মালাকার শিবা
স্বপন মালাকার শিবা সিলেট জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ণ | প্রিন্ট | ডাউনলোড কার্ড

ড্রেনে সেপটিক ট্যাংকের সংযোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: দ্রুত বিচ্ছিন্নের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের
ড্রেনে সেপটিক ট্যাংকের সংযোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: দ্রুত বিচ্ছিন্নের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের

সিলেট নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। পরিদর্শনকালে তিনি দেখতে পান, অনেক ভবন বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মাণ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য সরাসরি ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। বিষয়টিকে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।সোমবার (২১ জুলাই) সকালে পরিদর্শন শেষে সিসিক প্রশাসক বলেন, পরিকল্পনাহীন ভবন নির্মাণ ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে নগরীতে জলাবদ্ধতা, পরিবেশ দূষণ এবং জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ভবন নির্মাণের সময় বিল্ডিং কোড মেনে চলা এবং সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো অবস্থাতেই সেপটিক ট্যাংকের লাইন সরাসরি ড্রেন বা ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত করা যাবে না। এতে ড্রেন দ্রুত ভরাট হয়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে ভবন নির্মাণের সময় সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জায়গা ছেড়ে দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ সচল রাখারও আহ্বান জানান। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "সামান্য সচেতনতাই আমাদের প্রিয় নগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য করে তুলতে পারে। পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।" তিনি আরও বলেন, "ছড়া ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। সবার সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।"সিসিক প্রশাসক আগামী তিন মাসের মধ্যে ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত সব সেপটিক ট্যাংকের অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করে বিল্ডিং কোড অনুযায়ী স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে, একই দিন বাদামবাগিচা এলাকায় সিসিকের উদ্যোগে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব। সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য পাইপের মাধ্যমে ড্রেন ও ছড়ায় ফেলার দায়ে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ভবনের মালিকদের সতর্ক করা হয়। প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে অবৈধভাবে সংযুক্ত সেপটিক ট্যাংকের লাইন চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ দূষণ রোধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে এ অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও তিনি জানান।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ONE NEWS EXPRESS

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


ড্রেনে সেপটিক ট্যাংকের সংযোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: দ্রুত বিচ্ছিন্নের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের

প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ণ

featured Image

সিলেট নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। পরিদর্শনকালে তিনি দেখতে পান, অনেক ভবন বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মাণ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য সরাসরি ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। বিষয়টিকে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।সোমবার (২১ জুলাই) সকালে পরিদর্শন শেষে সিসিক প্রশাসক বলেন, পরিকল্পনাহীন ভবন নির্মাণ ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে নগরীতে জলাবদ্ধতা, পরিবেশ দূষণ এবং জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ভবন নির্মাণের সময় বিল্ডিং কোড মেনে চলা এবং সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো অবস্থাতেই সেপটিক ট্যাংকের লাইন সরাসরি ড্রেন বা ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত করা যাবে না। এতে ড্রেন দ্রুত ভরাট হয়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে ভবন নির্মাণের সময় সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জায়গা ছেড়ে দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ সচল রাখারও আহ্বান জানান। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "সামান্য সচেতনতাই আমাদের প্রিয় নগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য করে তুলতে পারে। পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।" তিনি আরও বলেন, "ছড়া ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। সবার সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।"সিসিক প্রশাসক আগামী তিন মাসের মধ্যে ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত সব সেপটিক ট্যাংকের অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করে বিল্ডিং কোড অনুযায়ী স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে, একই দিন বাদামবাগিচা এলাকায় সিসিকের উদ্যোগে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব। সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য পাইপের মাধ্যমে ড্রেন ও ছড়ায় ফেলার দায়ে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ভবনের মালিকদের সতর্ক করা হয়। প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে অবৈধভাবে সংযুক্ত সেপটিক ট্যাংকের লাইন চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ দূষণ রোধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে এ অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও তিনি জানান।


ONE NEWS EXPRESS

সম্পাদক ও প্রকাশক- মো: মনিরুজ্জামান
সহ-সম্পাদক: তুহিন আহসান
বার্তা সম্পাদক: তামিমা জান্নাত

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ড্রেনে সেপটিক ট্যাংকের সংযোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: দ্রুত বিচ্ছিন্নের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের
0:00 / 0:00
1x