৩৯ বছর বয়সেও ৮টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট নিয়ে আসর শেষ করেছেন লিওনেল মেসি। নকআউট পর্বে গোল না পেলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি অ্যাসিস্টে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। তবে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনালে লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে।
মেসির এই হারকে তার ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন না থিয়েরি অঁরি। তার মতে, এটি স্পেনের কৌশলগত সাফল্য ছিল। অঁরি বলেন, মেসির বিপক্ষে বাজি ধরা যায় না এবং আর্জেন্টিনাকে হারাতে স্পেনের মতো শক্তিশালী দলই প্রয়োজন ছিল। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে মেসির চোখের জল দেখে তিনি তার অদম্য জেতার ক্ষুধার প্রশংসা করেন।
ডেনমার্কের সাবেক গোলরক্ষক ক্যাসপার স্মাইকেল মনে করেন, শুধু ট্রফি দিয়ে একজন ফুটবলারের মূল্যায়ন করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, মেসি বিশ্বকাপে জেতার চেয়ে ফাইনাল হেরেছেন বেশি, তবুও তিনি ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়। ফুটবলকে তিনি যা দিয়েছেন তার কোনো তুলনা হয় না।
জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ মেসির এই পারফরম্যান্সকে জাদুকরী বলে অভিহিত করেছেন। তিনি চান মেসি আরও দীর্ঘ সময় ফুটবল খেলে যান। ইব্রাহিমোভিচের মতে, মেসি যেদিন খেলা ছেড়ে দেবেন, সেদিন পুরো ফুটবল বিশ্ব বড় কিছু হারাবে। ফক্স স্পোর্টসের স্টুডিওতে তিনি জানান, মেসি একা হাতে এই দলটিকে টেনে নিয়ে গেছেন।
সাবেক ইংলিশ স্ট্রাইকার পিটার ক্রাউচ বর্তমান প্রজন্মের ওপর মেসির প্রভাবের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি জানান, স্পেনের যে তরুণরা আজ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে, তাদের অনেকেই মেসিকে দেখে বড় হয়েছে। অন্যদিকে অ্যালেক্সি লালাস মনে করেন, একটি ম্যাচ দিয়ে মেসিকে বিচার করা অন্যায় এবং এখন তার আইকনিক ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ণ
৩৯ বছর বয়সেও ৮টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট নিয়ে আসর শেষ করেছেন লিওনেল মেসি। নকআউট পর্বে গোল না পেলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি অ্যাসিস্টে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। তবে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনালে লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে।
মেসির এই হারকে তার ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন না থিয়েরি অঁরি। তার মতে, এটি স্পেনের কৌশলগত সাফল্য ছিল। অঁরি বলেন, মেসির বিপক্ষে বাজি ধরা যায় না এবং আর্জেন্টিনাকে হারাতে স্পেনের মতো শক্তিশালী দলই প্রয়োজন ছিল। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে মেসির চোখের জল দেখে তিনি তার অদম্য জেতার ক্ষুধার প্রশংসা করেন।
ডেনমার্কের সাবেক গোলরক্ষক ক্যাসপার স্মাইকেল মনে করেন, শুধু ট্রফি দিয়ে একজন ফুটবলারের মূল্যায়ন করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, মেসি বিশ্বকাপে জেতার চেয়ে ফাইনাল হেরেছেন বেশি, তবুও তিনি ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়। ফুটবলকে তিনি যা দিয়েছেন তার কোনো তুলনা হয় না।
জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ মেসির এই পারফরম্যান্সকে জাদুকরী বলে অভিহিত করেছেন। তিনি চান মেসি আরও দীর্ঘ সময় ফুটবল খেলে যান। ইব্রাহিমোভিচের মতে, মেসি যেদিন খেলা ছেড়ে দেবেন, সেদিন পুরো ফুটবল বিশ্ব বড় কিছু হারাবে। ফক্স স্পোর্টসের স্টুডিওতে তিনি জানান, মেসি একা হাতে এই দলটিকে টেনে নিয়ে গেছেন।
সাবেক ইংলিশ স্ট্রাইকার পিটার ক্রাউচ বর্তমান প্রজন্মের ওপর মেসির প্রভাবের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি জানান, স্পেনের যে তরুণরা আজ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে, তাদের অনেকেই মেসিকে দেখে বড় হয়েছে। অন্যদিকে অ্যালেক্সি লালাস মনে করেন, একটি ম্যাচ দিয়ে মেসিকে বিচার করা অন্যায় এবং এখন তার আইকনিক ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।
