নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে স্পেন। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে জয়সূচক গোলটি করেন বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। পুরো ৯০ মিনিট গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত তোরেসের গোলেই নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য।
ম্যাচ শেষে তোরেস জানান, এই জয় স্পেনের ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। তিনি বলেন, পুরো টুর্নামেন্টে অনেক সমালোচনার মুখে পড়লেও তিনি বিশ্বাস করতেন ভাগ্য তাদের পক্ষেই লেখা ছিল। লিওনেল মেসির মতো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও নিজেদের ওপর বিশ্বাস রেখে তারা মাঠের লড়াই চালিয়ে গেছেন এবং শেষ পর্যন্ত সৃষ্টিকর্তা যোগ্য দলকেই শিরোপা দিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ফাইনালে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স ছিল মলিন, পুরো ৯০ মিনিটে তারা লক্ষ্যে কোনো শট নিতে পারেনি। এছাড়া অতিরিক্ত সময় শুরুর ঠিক আগে মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্পেন নিজেদের ফুটবল শৈলী প্রদর্শনের মাধ্যমে বিশ্বজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে স্পেন। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে জয়সূচক গোলটি করেন বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। পুরো ৯০ মিনিট গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত তোরেসের গোলেই নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য।
ম্যাচ শেষে তোরেস জানান, এই জয় স্পেনের ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। তিনি বলেন, পুরো টুর্নামেন্টে অনেক সমালোচনার মুখে পড়লেও তিনি বিশ্বাস করতেন ভাগ্য তাদের পক্ষেই লেখা ছিল। লিওনেল মেসির মতো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও নিজেদের ওপর বিশ্বাস রেখে তারা মাঠের লড়াই চালিয়ে গেছেন এবং শেষ পর্যন্ত সৃষ্টিকর্তা যোগ্য দলকেই শিরোপা দিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ফাইনালে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স ছিল মলিন, পুরো ৯০ মিনিটে তারা লক্ষ্যে কোনো শট নিতে পারেনি। এছাড়া অতিরিক্ত সময় শুরুর ঠিক আগে মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্পেন নিজেদের ফুটবল শৈলী প্রদর্শনের মাধ্যমে বিশ্বজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে।
