রাজধানীর ডেমরা এলাকার আলোচিত প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত শাফিন আহমেদ শান্তকে গ্রেফতার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে ডেমরা এলাকা থেকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের দাবি, শাফিন আহমেদ শান্ত ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে উচ্চ হারে লাভ ও নিয়মিত লভ্যাংশ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ বা লাভ ফেরত না দিয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত কয়েক বছরে তিনি সহজ-সরল মানুষকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কেউ টাকা ফেরত চাইলে নানা ধরনের টালবাহানা করার পাশাপাশি হুমকি-ধামকি দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি আইনগত প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছিল। অবশেষে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে শাফিন আহমেদ শান্তের গ্রেফতারের খবরে প্রতারণার শিকার হওয়া অনেক ভুক্তভোগী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা আশা করছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে এবং আত্মসাৎ হওয়া অর্থ উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শাফিন আহমেদ শান্তের বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের দাবি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত নন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীর ডেমরা এলাকার আলোচিত প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত শাফিন আহমেদ শান্তকে গ্রেফতার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে ডেমরা এলাকা থেকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের দাবি, শাফিন আহমেদ শান্ত ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে উচ্চ হারে লাভ ও নিয়মিত লভ্যাংশ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ বা লাভ ফেরত না দিয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত কয়েক বছরে তিনি সহজ-সরল মানুষকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কেউ টাকা ফেরত চাইলে নানা ধরনের টালবাহানা করার পাশাপাশি হুমকি-ধামকি দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি আইনগত প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছিল। অবশেষে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে শাফিন আহমেদ শান্তের গ্রেফতারের খবরে প্রতারণার শিকার হওয়া অনেক ভুক্তভোগী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা আশা করছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে এবং আত্মসাৎ হওয়া অর্থ উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শাফিন আহমেদ শান্তের বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের দাবি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত নন।
