২০ জুলাই ২০২৬, বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে ফের একবার স্বপ্নভঙ্গ হলো লিওনেল মেসির। আরেকটি জাদুকরী পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় স্বপ্নের ট্রফি দ্বিতীয়বারের মতো হাতে নেওয়া হলো না এই আর্জেন্টাইন তারকার। ম্যাচ শেষে মেডেল গলায় তাকে কাঁদতে দেখা যায়।
তবে এই কিংবদন্তি জয়ের সবটুকু কৃতিত্ব প্রতিপক্ষ স্পেনকেই দিয়েছেন। দর্শকদের সঙ্গে অনুভূতি ভাগাভাগি করতে গিয়ে কান্না আটকে রাখতে পারেননি মেসি। তিনি বলেন, ‘আমি দুঃখিত, তবে আমি জানি যে আমরা আমাদের পুরো হৃদয় দিয়ে খেলেছি।’
পুরো ম্যাচে স্পেনের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি সূচকে আর্জেন্টিনার চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে ছিল স্প্যানিশরা। ম্যাচের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোলে শটের দিক থেকে স্পেন ২০-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল এবং পাসের সংখ্যায় ৮৪৫-৪৩৩ ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো কোণঠাসা করে রেখেছিল লা রোজারা।
মেসি স্পেনের পারফরম্যান্সকে কৃতিত্ব দিয়ে বলেন, ‘সত্যি বলতে, ওরা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। আমরা খেলায় হেরেছি এবং আমরা তা মেনে নিচ্ছি। তার মানে এই নয় যে আমরা এ পর্যন্ত যা কিছু করেছি তা ভুলে যাব, তাই আমি আমার দেশের মানুষ, খেলোয়াড় ও আমার দেশকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা মেসি ও তার দল শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও, পরাজয়কে সসম্মানে মেনে নিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন কেন তিনি ফুটবলের সত্যিকারের ভদ্রলোক। মাঠ ছাড়ার আগে তার চোখের জল কেবল পরাজয়ের কষ্টই নয়, বরং এক বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপের মঞ্চে আবেগপূর্ণ বিদায়ের প্রতীক হয়ে রইল।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ণ
২০ জুলাই ২০২৬, বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে ফের একবার স্বপ্নভঙ্গ হলো লিওনেল মেসির। আরেকটি জাদুকরী পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় স্বপ্নের ট্রফি দ্বিতীয়বারের মতো হাতে নেওয়া হলো না এই আর্জেন্টাইন তারকার। ম্যাচ শেষে মেডেল গলায় তাকে কাঁদতে দেখা যায়।
তবে এই কিংবদন্তি জয়ের সবটুকু কৃতিত্ব প্রতিপক্ষ স্পেনকেই দিয়েছেন। দর্শকদের সঙ্গে অনুভূতি ভাগাভাগি করতে গিয়ে কান্না আটকে রাখতে পারেননি মেসি। তিনি বলেন, ‘আমি দুঃখিত, তবে আমি জানি যে আমরা আমাদের পুরো হৃদয় দিয়ে খেলেছি।’
পুরো ম্যাচে স্পেনের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি সূচকে আর্জেন্টিনার চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে ছিল স্প্যানিশরা। ম্যাচের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোলে শটের দিক থেকে স্পেন ২০-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল এবং পাসের সংখ্যায় ৮৪৫-৪৩৩ ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো কোণঠাসা করে রেখেছিল লা রোজারা।
মেসি স্পেনের পারফরম্যান্সকে কৃতিত্ব দিয়ে বলেন, ‘সত্যি বলতে, ওরা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। আমরা খেলায় হেরেছি এবং আমরা তা মেনে নিচ্ছি। তার মানে এই নয় যে আমরা এ পর্যন্ত যা কিছু করেছি তা ভুলে যাব, তাই আমি আমার দেশের মানুষ, খেলোয়াড় ও আমার দেশকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা মেসি ও তার দল শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও, পরাজয়কে সসম্মানে মেনে নিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন কেন তিনি ফুটবলের সত্যিকারের ভদ্রলোক। মাঠ ছাড়ার আগে তার চোখের জল কেবল পরাজয়ের কষ্টই নয়, বরং এক বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপের মঞ্চে আবেগপূর্ণ বিদায়ের প্রতীক হয়ে রইল।
