নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০২৬ সালের ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হয়েছে আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেররান তরেসর করা একমাত্র গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়, যার ফলে লিওনেল মেসির স্বপ্নভঙ্গ হয়।
ম্যাচে আর্জেন্টিনার হারের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তাদের আক্রমণভাগের চরম ব্যর্থতা। নির্ধারিত সময়ে তারা গোলের উদ্দেশ্যে কোনো কার্যকর শট নিতে পারেনি এবং পুরো ম্যাচে স্পেনের রক্ষণে কোনো বড় চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়।
মাঝমাঠে স্পেনের রদ্রি ও পেদ্রিদের আধিপত্যের কাছে আর্জেন্টিনা কার্যত দিশেহারা ছিল। বল দখলের লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকা এবং স্পেনের কার্যকর প্রেসিংয়ের কারণে মেসিরা বারবার চাপে পড়ে যান, যা তাদের আক্রমণ গড়ার পথ রুদ্ধ করে দেয়।
ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট আর্জেন্টিনা দশজন নিয়ে খেলতে বাধ্য হয়, যা তাদের রক্ষণভাগকে অতিরিক্ত চাপে ফেলে দেয়।
দলগত কৌশলের অভাবে মেসিকে পুরো ম্যাচে বিচ্ছিন্ন মনে হয়েছে। হুলিয়ান আলভারেজকে তুলে নেওয়ার পর আক্রমণভাগে পর্যাপ্ত বল সরবরাহের অভাবে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজে পাননি।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই রক্ষণের ভুলে গোল হজম করাটা ছিল চূড়ান্ত ধাক্কা। ডানপ্রান্ত থেকে আসা ক্রস সামলাতে ব্যর্থ হওয়ায় ফেররান তরেস গোলটি করেন, যার পর দশজনের দল হিসেবে ম্যাচে ফেরার মতো শক্তি স্কালোনির শিষ্যদের ছিল না।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০২৬ সালের ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হয়েছে আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেররান তরেসর করা একমাত্র গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়, যার ফলে লিওনেল মেসির স্বপ্নভঙ্গ হয়।
ম্যাচে আর্জেন্টিনার হারের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তাদের আক্রমণভাগের চরম ব্যর্থতা। নির্ধারিত সময়ে তারা গোলের উদ্দেশ্যে কোনো কার্যকর শট নিতে পারেনি এবং পুরো ম্যাচে স্পেনের রক্ষণে কোনো বড় চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়।
মাঝমাঠে স্পেনের রদ্রি ও পেদ্রিদের আধিপত্যের কাছে আর্জেন্টিনা কার্যত দিশেহারা ছিল। বল দখলের লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকা এবং স্পেনের কার্যকর প্রেসিংয়ের কারণে মেসিরা বারবার চাপে পড়ে যান, যা তাদের আক্রমণ গড়ার পথ রুদ্ধ করে দেয়।
ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট আর্জেন্টিনা দশজন নিয়ে খেলতে বাধ্য হয়, যা তাদের রক্ষণভাগকে অতিরিক্ত চাপে ফেলে দেয়।
দলগত কৌশলের অভাবে মেসিকে পুরো ম্যাচে বিচ্ছিন্ন মনে হয়েছে। হুলিয়ান আলভারেজকে তুলে নেওয়ার পর আক্রমণভাগে পর্যাপ্ত বল সরবরাহের অভাবে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজে পাননি।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই রক্ষণের ভুলে গোল হজম করাটা ছিল চূড়ান্ত ধাক্কা। ডানপ্রান্ত থেকে আসা ক্রস সামলাতে ব্যর্থ হওয়ায় ফেররান তরেস গোলটি করেন, যার পর দশজনের দল হিসেবে ম্যাচে ফেরার মতো শক্তি স্কালোনির শিষ্যদের ছিল না।
