২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের দুটি গোল বাতিল হওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বিতর্ক। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে স্পেন ১-০ গোলে জয় পেলেও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্প্যানিশ ফুটবলাররা।
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে নিকো উইলিয়ামসের একটি গোল বাতিল করেন রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। তার দাবি ছিল, গোলটির আগে স্পেনের মিকেল মেরিনো আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দির ওপর ফাউল করেছিলেন। যদিও রিপ্লেতে দেখা গেছে সেই সংস্পর্শ ছিল অত্যন্ত সামান্য।
স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের অভিযোগ, ওতামেন্দি বিষয়টি বাড়িয়ে দেখিয়েছেন এবং গোলটি বাতিল করার মতো বড় কোনো ফাউল সেখানে ছিল না। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরই ফেররান তরেসের আরও একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল ঘোষণা করেন রেফারি।
এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে একা পেয়ে তরেস বল জালে জড়ালেও অফসাইডের সিদ্ধান্তে তা বাতিল হয়। এই দুই সিদ্ধান্তের ফলে স্পেনের খেলোয়াড়রা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন, কারণ গোলগুলো বৈধ হলে ম্যাচের ফলাফল আরও আগেই নির্ধারিত হয়ে যেতে পারত।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের দুটি গোল বাতিল হওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বিতর্ক। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে স্পেন ১-০ গোলে জয় পেলেও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্প্যানিশ ফুটবলাররা।
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে নিকো উইলিয়ামসের একটি গোল বাতিল করেন রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। তার দাবি ছিল, গোলটির আগে স্পেনের মিকেল মেরিনো আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দির ওপর ফাউল করেছিলেন। যদিও রিপ্লেতে দেখা গেছে সেই সংস্পর্শ ছিল অত্যন্ত সামান্য।
স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের অভিযোগ, ওতামেন্দি বিষয়টি বাড়িয়ে দেখিয়েছেন এবং গোলটি বাতিল করার মতো বড় কোনো ফাউল সেখানে ছিল না। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরই ফেররান তরেসের আরও একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল ঘোষণা করেন রেফারি।
এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে একা পেয়ে তরেস বল জালে জড়ালেও অফসাইডের সিদ্ধান্তে তা বাতিল হয়। এই দুই সিদ্ধান্তের ফলে স্পেনের খেলোয়াড়রা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন, কারণ গোলগুলো বৈধ হলে ম্যাচের ফলাফল আরও আগেই নির্ধারিত হয়ে যেতে পারত।
