নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তারকা ও রাষ্ট্রনেতারা ভিড় করলেও, সেখানে দেখা মেলেনি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেইর। নিজের দলের জয়ের ধারা বজায় রাখতে এক বিশেষ কুসংস্কারের কারণেই স্টেডিয়ামে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করা হয় যে, দল জয়ের ছন্দে থাকলে ম্যাচ দেখার স্থান বা সঙ্গী পরিবর্তন করলে সৌভাগ্য নষ্ট হতে পারে। এই বিশ্বাস থেকেই বিশ্বকাপজুড়ে প্রতিটি ম্যাচ একই জায়গায় ও একই মানুষদের সঙ্গে দেখেছেন মাইলেই। তাই ফাইনালের দিনও সেই রুটিন ভাঙতে চাননি তিনি।
নিউইয়র্কে না গিয়ে বুয়েনস আইরেসের সরকারি বাসভবন কুইন্তা দে অলিভোসে বসেই ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে টেলিভিশনে ফাইনাল দেখছেন প্রেসিডেন্ট। আর্জেন্টিনার রাজনীতিতে 'মুফা' বা দুর্ভাগ্যের প্রতীক হওয়ার ভয় থেকেও তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফাইনালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেস এবং ২০১৪ সালের ফাইনালে সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনা ফার্নান্দেস দে কির্শনারও মাঠে উপস্থিত ছিলেন না। মাইলেইর দৃঢ় বিশ্বাস, আগের মতোই একই পরিবেশে খেলা দেখা আর্জেন্টিনার জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তারকা ও রাষ্ট্রনেতারা ভিড় করলেও, সেখানে দেখা মেলেনি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেইর। নিজের দলের জয়ের ধারা বজায় রাখতে এক বিশেষ কুসংস্কারের কারণেই স্টেডিয়ামে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করা হয় যে, দল জয়ের ছন্দে থাকলে ম্যাচ দেখার স্থান বা সঙ্গী পরিবর্তন করলে সৌভাগ্য নষ্ট হতে পারে। এই বিশ্বাস থেকেই বিশ্বকাপজুড়ে প্রতিটি ম্যাচ একই জায়গায় ও একই মানুষদের সঙ্গে দেখেছেন মাইলেই। তাই ফাইনালের দিনও সেই রুটিন ভাঙতে চাননি তিনি।
নিউইয়র্কে না গিয়ে বুয়েনস আইরেসের সরকারি বাসভবন কুইন্তা দে অলিভোসে বসেই ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে টেলিভিশনে ফাইনাল দেখছেন প্রেসিডেন্ট। আর্জেন্টিনার রাজনীতিতে 'মুফা' বা দুর্ভাগ্যের প্রতীক হওয়ার ভয় থেকেও তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফাইনালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেস এবং ২০১৪ সালের ফাইনালে সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনা ফার্নান্দেস দে কির্শনারও মাঠে উপস্থিত ছিলেন না। মাইলেইর দৃঢ় বিশ্বাস, আগের মতোই একই পরিবেশে খেলা দেখা আর্জেন্টিনার জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে।
