২০১৬ সালের ২৬ জুন মেটলাইফ স্টেডিয়ামে চিলির কাছে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন লিওনেল মেসি। সেই ম্যাচে টাইব্রেকারে পেনাল্টি মিস করার পর মাত্র ২৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে শিরোপা জিততে না পারার ব্যর্থতা তাকে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করে তুলেছিল।
তবে ভাগ্যবিধাতা মেসির জন্য অন্য গল্প লিখে রেখেছিলেন। দেড় মাসের মধ্যেই জাতীয় দলে ফিরে এসে তিনি ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালে ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে পুনরায় কোপা আমেরিকা জয়ের স্বাদ পান। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফিরে চিলির বিপক্ষে জয় পাওয়ার পাশাপাশি এই মাঠে পাঁচ ম্যাচে চার গোল করেছেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে ২০১২ সালের ব্রাজিলের বিপক্ষে এক দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক।
আজ রাতে সেই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন মেসি। এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১৬ সালের সেই অশ্রু আর ২০২৬ সালের এই সম্ভাব্য জয় মিলে ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য প্রত্যাবর্তনের গল্প রচিত হতে পারে এই মাঠে।
স্পেনকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা যদি টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়, তবে মেসি স্পর্শ করবেন অনন্য সব রেকর্ড। বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া কিংবা রেকর্ড তৃতীয়বার গোল্ডেন বল জয়ের সুযোগ রয়েছে তার সামনে। যে মাঠ থেকে একসময় বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেই মাঠেই হয়তো আজ অমরত্বের শেষ অধ্যায়টি লিখে ফেলবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ণ
২০১৬ সালের ২৬ জুন মেটলাইফ স্টেডিয়ামে চিলির কাছে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন লিওনেল মেসি। সেই ম্যাচে টাইব্রেকারে পেনাল্টি মিস করার পর মাত্র ২৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে শিরোপা জিততে না পারার ব্যর্থতা তাকে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করে তুলেছিল।
তবে ভাগ্যবিধাতা মেসির জন্য অন্য গল্প লিখে রেখেছিলেন। দেড় মাসের মধ্যেই জাতীয় দলে ফিরে এসে তিনি ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালে ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে পুনরায় কোপা আমেরিকা জয়ের স্বাদ পান। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফিরে চিলির বিপক্ষে জয় পাওয়ার পাশাপাশি এই মাঠে পাঁচ ম্যাচে চার গোল করেছেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে ২০১২ সালের ব্রাজিলের বিপক্ষে এক দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক।
আজ রাতে সেই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন মেসি। এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১৬ সালের সেই অশ্রু আর ২০২৬ সালের এই সম্ভাব্য জয় মিলে ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য প্রত্যাবর্তনের গল্প রচিত হতে পারে এই মাঠে।
স্পেনকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা যদি টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়, তবে মেসি স্পর্শ করবেন অনন্য সব রেকর্ড। বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া কিংবা রেকর্ড তৃতীয়বার গোল্ডেন বল জয়ের সুযোগ রয়েছে তার সামনে। যে মাঠ থেকে একসময় বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেই মাঠেই হয়তো আজ অমরত্বের শেষ অধ্যায়টি লিখে ফেলবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
