আজ রোববার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এই মেগা ফাইনালের আগে স্পেন তিন দিন বিশ্রাম পেয়েছে, যেখানে আর্জেন্টিনা পেয়েছে দুই দিন। মাত্র এক দিনের এই পার্থক্য ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে, কারণ সাম্প্রতিক বড় টুর্নামেন্টগুলোর ইতিহাস এই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
গত ১৫ বছরে বিশ্বকাপ, ইউরো ও কোপা আমেরিকার (পুরুষ ও নারী) ২০টি ফাইনাল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১৭ বারই প্রতিপক্ষের তুলনায় বেশি বিশ্রাম পাওয়া দল শিরোপা জিতেছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপ ও ইউরোর মতো ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট। গত ১৪টি বিশ্বকাপ ও ইউরো (পুরুষ ও নারী) ফাইনালের একটিতেও কম বিশ্রাম পাওয়া দল শিরোপা জিততে পারেনি।
যেমন, ২০১২ ইউরোতে ইতালির চেয়ে এক দিন বেশি বিশ্রাম পেয়ে স্পেন ৪-০ ব্যবধানে জিতেছিল। ২০১৪ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার চেয়ে এক দিন আগে সেমিফাইনাল খেলে জার্মানি অতিরিক্ত সময়ে মারিও গোটজের গোলে চতুর্থ বিশ্বকাপ জেতে। ২০১৬ ইউরোতে পর্তুগালও ফ্রান্সের তুলনায় এক দিন বেশি বিশ্রাম পেয়ে স্বাগতিকদের হারিয়ে প্রথম ইউরো শিরোপা জেতে।
২০১৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সও ক্রোয়েশিয়ার চেয়ে এক দিন বেশি বিশ্রাম নিয়ে ফাইনালে ৪-২ ব্যবধানে জিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২০১৯ নারী বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২৫ নারী ইউরো পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই প্রতিপক্ষের তুলনায় বেশি বিশ্রাম পাওয়া দলই ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে।
অবশ্য পরিসংখ্যান কখনোই ম্যাচের চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করে না। তবুও ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে নিউইয়র্কের ফাইনালের আগে সামান্য হলেও এগিয়ে স্পেন। যদিও ২০১৬ ও ২০২১ সালের কোপা আমেরিকায় কম বিশ্রাম নিয়েও আর্জেন্টিনার শিরোপা জেতার ব্যতিক্রমী ইতিহাস রয়েছে, তবে বিশ্বকাপ ও ইউরোর মঞ্চে বিগত ১৪টি ফাইনালেই বেশি বিশ্রাম পাওয়া দলই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ণ
আজ রোববার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এই মেগা ফাইনালের আগে স্পেন তিন দিন বিশ্রাম পেয়েছে, যেখানে আর্জেন্টিনা পেয়েছে দুই দিন। মাত্র এক দিনের এই পার্থক্য ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে, কারণ সাম্প্রতিক বড় টুর্নামেন্টগুলোর ইতিহাস এই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
গত ১৫ বছরে বিশ্বকাপ, ইউরো ও কোপা আমেরিকার (পুরুষ ও নারী) ২০টি ফাইনাল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১৭ বারই প্রতিপক্ষের তুলনায় বেশি বিশ্রাম পাওয়া দল শিরোপা জিতেছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপ ও ইউরোর মতো ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট। গত ১৪টি বিশ্বকাপ ও ইউরো (পুরুষ ও নারী) ফাইনালের একটিতেও কম বিশ্রাম পাওয়া দল শিরোপা জিততে পারেনি।
যেমন, ২০১২ ইউরোতে ইতালির চেয়ে এক দিন বেশি বিশ্রাম পেয়ে স্পেন ৪-০ ব্যবধানে জিতেছিল। ২০১৪ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার চেয়ে এক দিন আগে সেমিফাইনাল খেলে জার্মানি অতিরিক্ত সময়ে মারিও গোটজের গোলে চতুর্থ বিশ্বকাপ জেতে। ২০১৬ ইউরোতে পর্তুগালও ফ্রান্সের তুলনায় এক দিন বেশি বিশ্রাম পেয়ে স্বাগতিকদের হারিয়ে প্রথম ইউরো শিরোপা জেতে।
২০১৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সও ক্রোয়েশিয়ার চেয়ে এক দিন বেশি বিশ্রাম নিয়ে ফাইনালে ৪-২ ব্যবধানে জিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২০১৯ নারী বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২৫ নারী ইউরো পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই প্রতিপক্ষের তুলনায় বেশি বিশ্রাম পাওয়া দলই ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে।
অবশ্য পরিসংখ্যান কখনোই ম্যাচের চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করে না। তবুও ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে নিউইয়র্কের ফাইনালের আগে সামান্য হলেও এগিয়ে স্পেন। যদিও ২০১৬ ও ২০২১ সালের কোপা আমেরিকায় কম বিশ্রাম নিয়েও আর্জেন্টিনার শিরোপা জেতার ব্যতিক্রমী ইতিহাস রয়েছে, তবে বিশ্বকাপ ও ইউরোর মঞ্চে বিগত ১৪টি ফাইনালেই বেশি বিশ্রাম পাওয়া দলই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
