শুক্রবার (১৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির জেকসন হাইটস আহলুল বাইত মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ, খুতবা, শোহাদায়ে কারবালা ও আহলুল বায়ত (আ.) শীর্ষক আলোচনা সভাপতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলে খুতবা, আলোচনা ও দোয়া পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের পীর সাহেব হযরত শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী ওয়াল-হোসাইনী আল-মাইজভাণ্ডারী (মা.)।
তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের প্রতি মহব্বত প্রত্যেক মুমিনের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পবিত্র মহররম মাস আমাদেরকে কারবালার আত্মত্যাগের শিক্ষা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং সত্য, ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা জোগায়।”
তিনি আরও বলেন, হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহর জন্য চিরন্তন আদর্শ। তাঁদের জীবনাদর্শ ব্যক্তি ও সমাজে ন্যায়, ধৈর্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগের গুরুত্ব তুলে ধরে।
মাহফিলে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত মুসল্লি, পীর মাশায়েখ, আলেম-উলামা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মুসলিমরা অংশ নেন।
জুমার নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশ ও বিশ্বমানবতার শান্তি, নিরাপত্তা এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ণ
শুক্রবার (১৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির জেকসন হাইটস আহলুল বাইত মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ, খুতবা, শোহাদায়ে কারবালা ও আহলুল বায়ত (আ.) শীর্ষক আলোচনা সভাপতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলে খুতবা, আলোচনা ও দোয়া পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের পীর সাহেব হযরত শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী ওয়াল-হোসাইনী আল-মাইজভাণ্ডারী (মা.)।
তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের প্রতি মহব্বত প্রত্যেক মুমিনের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পবিত্র মহররম মাস আমাদেরকে কারবালার আত্মত্যাগের শিক্ষা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং সত্য, ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা জোগায়।”
তিনি আরও বলেন, হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহর জন্য চিরন্তন আদর্শ। তাঁদের জীবনাদর্শ ব্যক্তি ও সমাজে ন্যায়, ধৈর্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগের গুরুত্ব তুলে ধরে।
মাহফিলে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত মুসল্লি, পীর মাশায়েখ, আলেম-উলামা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মুসলিমরা অংশ নেন।
জুমার নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশ ও বিশ্বমানবতার শান্তি, নিরাপত্তা এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।
