কানাডার দাবানল থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র বায়ুদূষণ দেখা দিয়েছে। মিনেসোটা, মিশিগান ও নিউ ইয়র্কসহ একাধিক এলাকায় বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছানোয় জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে কানাডার ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কানাডার দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ হেক্টর জমি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার আইকিউএয়ার-এর তথ্যমতে, বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ বায়ুদূষণের শহর হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছে ডেট্রয়েট। শিকাগো ও ওয়াশিংটন ডিসির মতো শহরগুলোতেও ধোঁয়ার চাদরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যার ফলে অনেক অনুষ্ঠান ও ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন আইনপ্রণেতা কানাডার নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, তার সরকার দাবানল নিয়ন্ত্রণে ১৫০টিরও বেশি অগ্নিনির্বাপণ দল ও ৮০টির বেশি বিমান মোতায়েন করেছে। তিনি অভিযোগের বদলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দাবানল ও জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট কোনো সীমান্ত মানে না। ড. প্যাট্রিক জেমস জানান, আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ নেই এবং এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। উভয় দেশই নিয়মিত যোগাযোগ রেখে এই দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ণ
কানাডার দাবানল থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র বায়ুদূষণ দেখা দিয়েছে। মিনেসোটা, মিশিগান ও নিউ ইয়র্কসহ একাধিক এলাকায় বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছানোয় জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে কানাডার ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কানাডার দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ হেক্টর জমি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার আইকিউএয়ার-এর তথ্যমতে, বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ বায়ুদূষণের শহর হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছে ডেট্রয়েট। শিকাগো ও ওয়াশিংটন ডিসির মতো শহরগুলোতেও ধোঁয়ার চাদরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যার ফলে অনেক অনুষ্ঠান ও ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন আইনপ্রণেতা কানাডার নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, তার সরকার দাবানল নিয়ন্ত্রণে ১৫০টিরও বেশি অগ্নিনির্বাপণ দল ও ৮০টির বেশি বিমান মোতায়েন করেছে। তিনি অভিযোগের বদলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দাবানল ও জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট কোনো সীমান্ত মানে না। ড. প্যাট্রিক জেমস জানান, আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ নেই এবং এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। উভয় দেশই নিয়মিত যোগাযোগ রেখে এই দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে।
