যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চলমান সংঘাতের মধ্যে তেহরানকে ‘ভদ্র আচরণ’ করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সতর্কবার্তা দেওয়ার পর বুধবার সন্ধ্যায় ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গ্রেটার টুনব দ্বীপে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে টানা ৯০ মিনিট ধরে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর পুনরায় অবরোধ আরোপ করার পর দুটি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবরোধের ফলে কোনো জাহাজ ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় যাতায়াত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন অবরোধের জবাবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানির রুটগুলো বন্ধ হওয়ার জন্য তাদের প্রস্তুত থাকা উচিত। অন্যদিকে, ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, তেহরান যদি চুক্তি থেকে কোনো সুবিধা না পায়, তবে তা মেনে চলার কোনো কারণ নেই। গালিবাফ আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি আধিপত্য বজায় রাখার ওপরই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা নির্ভর করছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ইরান যদি আগামী সপ্তাহের মধ্যে আলোচনায় ফিরে না আসে, তবে দেশটির সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ডেডলাইন দিতে পছন্দ করি না। তবে তারা খুব ভালো করেই জানে, পুরো বিষয়টাই তারা জানে। তাদের ভদ্র আচরণ করা উচিত।’
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চলমান সংঘাতের মধ্যে তেহরানকে ‘ভদ্র আচরণ’ করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সতর্কবার্তা দেওয়ার পর বুধবার সন্ধ্যায় ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গ্রেটার টুনব দ্বীপে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে টানা ৯০ মিনিট ধরে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর পুনরায় অবরোধ আরোপ করার পর দুটি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবরোধের ফলে কোনো জাহাজ ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় যাতায়াত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন অবরোধের জবাবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানির রুটগুলো বন্ধ হওয়ার জন্য তাদের প্রস্তুত থাকা উচিত। অন্যদিকে, ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, তেহরান যদি চুক্তি থেকে কোনো সুবিধা না পায়, তবে তা মেনে চলার কোনো কারণ নেই। গালিবাফ আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি আধিপত্য বজায় রাখার ওপরই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা নির্ভর করছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ইরান যদি আগামী সপ্তাহের মধ্যে আলোচনায় ফিরে না আসে, তবে দেশটির সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ডেডলাইন দিতে পছন্দ করি না। তবে তারা খুব ভালো করেই জানে, পুরো বিষয়টাই তারা জানে। তাদের ভদ্র আচরণ করা উচিত।’
