১৬ বছরের কম বয়সীদের পর এবার ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধের পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। গত মঙ্গলবার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে এই বয়সীদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আসক্তি কমাতে ডিফল্ট সেটিং হিসেবে একটানা স্ক্রলিংয়ের মতো ফিচারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে। তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে এই সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন, যা নিয়ে সমালোচকরা কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এছাড়া এআই চ্যাটবট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য বিরতির বাধ্যবাধকতা আনা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল জানান, এই উদ্যোগ তরুণদের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করার পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করবে। ২০২৭ সালের শুরুর দিকে এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা নিয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা কিছু সংস্থা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, অন্য অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক করেছেন যে এতে শিশুরা বিকল্প ও অনিরাপদ উপায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। গত মাসেই যুক্তরাজ্য সরকার ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য বিভিন্ন জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ণ
১৬ বছরের কম বয়সীদের পর এবার ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধের পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। গত মঙ্গলবার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে এই বয়সীদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আসক্তি কমাতে ডিফল্ট সেটিং হিসেবে একটানা স্ক্রলিংয়ের মতো ফিচারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে। তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে এই সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন, যা নিয়ে সমালোচকরা কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এছাড়া এআই চ্যাটবট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য বিরতির বাধ্যবাধকতা আনা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল জানান, এই উদ্যোগ তরুণদের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করার পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করবে। ২০২৭ সালের শুরুর দিকে এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা নিয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা কিছু সংস্থা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, অন্য অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক করেছেন যে এতে শিশুরা বিকল্প ও অনিরাপদ উপায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। গত মাসেই যুক্তরাজ্য সরকার ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য বিভিন্ন জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
