যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। শুক্রবার বিশেষ দলীয় সম্মেলনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতা ঘোষণা করা হয়, যার ফলে তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ প্রশস্ত হলো। ভাষণে বার্নহাম বলেন, যুক্তরাজ্যকে নতুন পথে এগিয়ে নিতে তার কাছে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
আগামী সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। এরপর রাজা বার্নহামকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। আমন্ত্রণ গ্রহণের পর তিনি ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
বার্নহাম তার বক্তব্যে জানান, তিনি মানুষের রাজনীতির ওপর হারিয়ে যাওয়া আস্থা ফিরিয়ে আনতে চান। তার সরকারের মূল অগ্রাধিকার হবে জনসেবা, সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো। তিনি নিজেকে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি থেকে নেতৃত্বদানকারী নেতা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।
গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক এই মেয়র ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পক্ষে জোরালো অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, লন্ডনকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে স্থানীয় সরকারগুলোকে আরও ক্ষমতা ও অর্থ প্রদান করা প্রয়োজন। এছাড়া জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও এনএইচএস শক্তিশালী করার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ণ
যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। শুক্রবার বিশেষ দলীয় সম্মেলনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতা ঘোষণা করা হয়, যার ফলে তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ প্রশস্ত হলো। ভাষণে বার্নহাম বলেন, যুক্তরাজ্যকে নতুন পথে এগিয়ে নিতে তার কাছে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
আগামী সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। এরপর রাজা বার্নহামকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। আমন্ত্রণ গ্রহণের পর তিনি ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
বার্নহাম তার বক্তব্যে জানান, তিনি মানুষের রাজনীতির ওপর হারিয়ে যাওয়া আস্থা ফিরিয়ে আনতে চান। তার সরকারের মূল অগ্রাধিকার হবে জনসেবা, সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো। তিনি নিজেকে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি থেকে নেতৃত্বদানকারী নেতা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।
গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক এই মেয়র ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পক্ষে জোরালো অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, লন্ডনকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে স্থানীয় সরকারগুলোকে আরও ক্ষমতা ও অর্থ প্রদান করা প্রয়োজন। এছাড়া জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও এনএইচএস শক্তিশালী করার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।
