বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় জর্জিয়ার আটালান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে মাঠে নামবে, অন্যদিকে ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ডকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হ্যারি কেইন, যার সঙ্গে জুড বেলিংহামের জুটি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের ১৩টি গোলের মধ্যে ১২টিই এসেছে এই জুটির পা থেকে। এছাড়া ডেকলান রাইস ও এন্থনি গর্ডনের মতো খেলোয়াড়রাও নিজেদের সেরাটা দিয়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
আর্জেন্টিনার শক্তির জায়গা তাদের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডাররা, যারা ছোট পাসের মাধ্যমে খেলা নিয়ন্ত্রণ করতে দক্ষ। তবে রক্ষণভাগে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দুর্বলতা নিয়ে চিন্তিত কোচ লিওনেল স্কালোনি। ইংল্যান্ডের গতিশীল আক্রমণ সামলাতে তিনি ফরমেশনে বড় পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই দল, যেখানে ইংল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে। তবে লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটিই প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে। ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক লড়াইয়ের পর থেকে এই দুই দলের ফুটবলীয় লড়াইয়ে সবসময়ই এক ধরনের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক উত্তেজনার আবহ থাকে।
টমাস টুখেলের অধীনে ইংল্যান্ড দল মানসিক দৃঢ়তা ও লড়াই করার ক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। অন্যদিকে, নকআউট পর্বে কঠিন পরীক্ষা পার করে আসা আর্জেন্টিনা দলের মূল ভরসা মেসি। ফাইনালে ওঠার এই লড়াইয়ে দুই দলই নিজেদের শেষ শক্তিটুকু নিংড়ে দিতে প্রস্তুত।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় জর্জিয়ার আটালান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে মাঠে নামবে, অন্যদিকে ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ডকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হ্যারি কেইন, যার সঙ্গে জুড বেলিংহামের জুটি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের ১৩টি গোলের মধ্যে ১২টিই এসেছে এই জুটির পা থেকে। এছাড়া ডেকলান রাইস ও এন্থনি গর্ডনের মতো খেলোয়াড়রাও নিজেদের সেরাটা দিয়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
আর্জেন্টিনার শক্তির জায়গা তাদের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডাররা, যারা ছোট পাসের মাধ্যমে খেলা নিয়ন্ত্রণ করতে দক্ষ। তবে রক্ষণভাগে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দুর্বলতা নিয়ে চিন্তিত কোচ লিওনেল স্কালোনি। ইংল্যান্ডের গতিশীল আক্রমণ সামলাতে তিনি ফরমেশনে বড় পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই দল, যেখানে ইংল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে। তবে লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটিই প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে। ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক লড়াইয়ের পর থেকে এই দুই দলের ফুটবলীয় লড়াইয়ে সবসময়ই এক ধরনের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক উত্তেজনার আবহ থাকে।
টমাস টুখেলের অধীনে ইংল্যান্ড দল মানসিক দৃঢ়তা ও লড়াই করার ক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। অন্যদিকে, নকআউট পর্বে কঠিন পরীক্ষা পার করে আসা আর্জেন্টিনা দলের মূল ভরসা মেসি। ফাইনালে ওঠার এই লড়াইয়ে দুই দলই নিজেদের শেষ শক্তিটুকু নিংড়ে দিতে প্রস্তুত।
