বুলাওয়েতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৩২ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে স্বাগতিকদের পাত্তাই দেয়নি তাওহীদ হৃদয়ের দল। এই দাপুটে জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১।
টসে হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। দলের দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান ১৪.৪ ওভারে ১২০ রানের অনবদ্য এক জুটি গড়েন। তামিম ৪৪ বলে ৫৮ রান এবং সাইফ ৪৫ বলে ৫৫ রান করে আউট হন, যদিও জিম্বাবুয়ের ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় দুজনেই জীবন পেয়েছিলেন একাধিকবার।
এই ১২০ রানের জুটিটি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যেকোনো উইকেটে বাংলাদেশের সেরা। এর আগে ২০১৩ সালে সাকিব আল হাসান ও শামসুর রহমানের ১১৮ রানের রেকর্ড ভেঙেছে এই জুটি। এটি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের তৃতীয় সেরা জুটি এবং উদ্বোধনী জুটিতে দ্বিতীয় সেরা যুগলবন্দী।
যদিও ১২০ রানে জুটি ভাঙার পর মাত্র ২১ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তাওহীদ হৃদয় ৬, পারভেজ ইমন ১ ও নুরুল হাসান সোহান ৪ রানে ফেরেন। তবে এরপর ইয়াসির আলী ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মিলে ১৯ বলে অবিচ্ছিন্ন ৪৫ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন। সাইফুদ্দিন ১০ বলে ৩১ ও ইয়াসির ১২ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাবা ও ব্রাড ইভান্স দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে। বুলাওয়েতে এত রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড কোনো দলের ছিল না, জিম্বাবুয়েও পারেনি। ২১ রানেই প্রথম ৩ উইকেট হারায় তারা। শেখ মেহেদী মারুমানি ও ডিওন মায়ার্সকে ৪ রান করে ফেরান, আর নাহিদ রানা ব্রায়ান বেনেটকে (১১) আউট করেন।
এরপর সিকান্দার রাজা ও মিল্টন শুম্বা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। পরপর দুই ওভারে এসে দু’জনকেই ফেরান রিশাদ হোসেন। রাজা ১২ বলে ২৮ ও মিল্টন ২০ বলে ১৯ রান করেন, এবং জিম্বাবুয়ে ৯.৩ ওভারে ৮০ রানেই ৬ উইকেট হারায়।
শেষ দিকে রায়ান বার্ল ১৯ বলে ২৯ এবং ব্রাড ইভান্স ১৪ বলে ২৫ রান করে কিছুটা লড়াই করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ ওভারে রিশাদ মুজারাবানিকে ফেরালে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। রিচার্ড এনগারাবা ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ হোসেন ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন। এছাড়া শেখ মেহেদী ৩ উইকেট, নাহিদ রানা, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও সাইফ হাসান ১টি করে উইকেট নেন।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো সফরকারীরা। ফলে সিরিজের শেষ ম্যাচটি এখন অলিখিত ফাইনালে রূপ নিয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ণ
বুলাওয়েতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৩২ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে স্বাগতিকদের পাত্তাই দেয়নি তাওহীদ হৃদয়ের দল। এই দাপুটে জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১।
টসে হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। দলের দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান ১৪.৪ ওভারে ১২০ রানের অনবদ্য এক জুটি গড়েন। তামিম ৪৪ বলে ৫৮ রান এবং সাইফ ৪৫ বলে ৫৫ রান করে আউট হন, যদিও জিম্বাবুয়ের ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় দুজনেই জীবন পেয়েছিলেন একাধিকবার।
এই ১২০ রানের জুটিটি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যেকোনো উইকেটে বাংলাদেশের সেরা। এর আগে ২০১৩ সালে সাকিব আল হাসান ও শামসুর রহমানের ১১৮ রানের রেকর্ড ভেঙেছে এই জুটি। এটি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের তৃতীয় সেরা জুটি এবং উদ্বোধনী জুটিতে দ্বিতীয় সেরা যুগলবন্দী।
যদিও ১২০ রানে জুটি ভাঙার পর মাত্র ২১ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তাওহীদ হৃদয় ৬, পারভেজ ইমন ১ ও নুরুল হাসান সোহান ৪ রানে ফেরেন। তবে এরপর ইয়াসির আলী ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মিলে ১৯ বলে অবিচ্ছিন্ন ৪৫ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন। সাইফুদ্দিন ১০ বলে ৩১ ও ইয়াসির ১২ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাবা ও ব্রাড ইভান্স দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে। বুলাওয়েতে এত রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড কোনো দলের ছিল না, জিম্বাবুয়েও পারেনি। ২১ রানেই প্রথম ৩ উইকেট হারায় তারা। শেখ মেহেদী মারুমানি ও ডিওন মায়ার্সকে ৪ রান করে ফেরান, আর নাহিদ রানা ব্রায়ান বেনেটকে (১১) আউট করেন।
এরপর সিকান্দার রাজা ও মিল্টন শুম্বা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। পরপর দুই ওভারে এসে দু’জনকেই ফেরান রিশাদ হোসেন। রাজা ১২ বলে ২৮ ও মিল্টন ২০ বলে ১৯ রান করেন, এবং জিম্বাবুয়ে ৯.৩ ওভারে ৮০ রানেই ৬ উইকেট হারায়।
শেষ দিকে রায়ান বার্ল ১৯ বলে ২৯ এবং ব্রাড ইভান্স ১৪ বলে ২৫ রান করে কিছুটা লড়াই করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ ওভারে রিশাদ মুজারাবানিকে ফেরালে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। রিচার্ড এনগারাবা ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ হোসেন ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন। এছাড়া শেখ মেহেদী ৩ উইকেট, নাহিদ রানা, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও সাইফ হাসান ১টি করে উইকেট নেন।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো সফরকারীরা। ফলে সিরিজের শেষ ম্যাচটি এখন অলিখিত ফাইনালে রূপ নিয়েছে।
