হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামী দলকে নিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে অংশ নেওয়া দলগুলোকে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ও করণীয় সম্পর্কে লিখিত মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে। যারা নতুন এই জোটে যোগ দিতে আগ্রহী, তাদের বর্তমান রাজনৈতিক বলয় অর্থাৎ জামায়াত ও বিএনপির সঙ্গ ত্যাগের বার্তা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কওমি ঘরানার দলগুলোর বিভক্তি এবং এর ফলে সৃষ্ট নেতিবাচক প্রভাব থেকে শিক্ষা নিয়েই এই ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জোট গঠনের পর স্থানীয় সরকার ও জাতীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস।
বর্তমানে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত আন্দোলন, খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছেন। লিখিত মতামত পাওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকে জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ণ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামী দলকে নিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে অংশ নেওয়া দলগুলোকে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ও করণীয় সম্পর্কে লিখিত মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে। যারা নতুন এই জোটে যোগ দিতে আগ্রহী, তাদের বর্তমান রাজনৈতিক বলয় অর্থাৎ জামায়াত ও বিএনপির সঙ্গ ত্যাগের বার্তা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কওমি ঘরানার দলগুলোর বিভক্তি এবং এর ফলে সৃষ্ট নেতিবাচক প্রভাব থেকে শিক্ষা নিয়েই এই ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জোট গঠনের পর স্থানীয় সরকার ও জাতীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস।
বর্তমানে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত আন্দোলন, খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছেন। লিখিত মতামত পাওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকে জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে।
