মাগুরার মোহাম্মদপুরের রসুলপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শাহাদাতবরণকারী শহীদ আহাদ আলী ও শহীদ সুমনের স্মৃতিস্তম্ভে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) তিনি রসুলপুরে অবস্থিত শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণকালে সংস্কৃতি মন্ত্রী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং দেশের জন্য তাঁদের এই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা জাতি চিরকাল মনে রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং রসুলপুরের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ণ
মাগুরার মোহাম্মদপুরের রসুলপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শাহাদাতবরণকারী শহীদ আহাদ আলী ও শহীদ সুমনের স্মৃতিস্তম্ভে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) তিনি রসুলপুরে অবস্থিত শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণকালে সংস্কৃতি মন্ত্রী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং দেশের জন্য তাঁদের এই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা জাতি চিরকাল মনে রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং রসুলপুরের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
