সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকদের ফোন রিসিভ না করার অভিযোগ উঠেছে। তথ্য সংগ্রহ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও অধিকাংশ সময় তাঁকে ফোনে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। বিষয়টি সরকারি দপ্তরের তথ্যপ্রবাহ, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাংবাদিকদের দাবি, ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরা তথ্য সংগ্রহের জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি ফোন রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) দুপুরে উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) গঠন সংক্রান্ত তথ্য জানতে অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংবাদিক পৃথক ভাবে একাধিকবার তাঁর সরকারি ও ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে কল করেন। তবে কোনো কলেরই সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা।
পরে কয়েকজন সাংবাদিক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে ফোন রিসিভ না করার কারণ জানতে চাইলে দীপক কুমার বিশ্বাস বলেন, তিনি কখনও ওয়াশরুমে, কখনও বাথরুমে অথবা অফিসিয়াল কাজে ব্যস্ত থাকায় ফোন ধরতে পারেননি। এছাড়া তিনি বলেন, অনেকের নম্বর আমার মোবাইলে সেভ নেই। সেভ না থাকলে সব সময় ফোন ধরা সম্ভব হয় না।
তবে সাংবাদিকদের অভিযোগ, এ ধরনের ব্যাখ্যা তিনি দীর্ঘদিন ধরেই দিয়ে আসছেন। গুরুত্বপূর্ণ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও অধিকাংশ সময় ফোন রিসিভ না করায় তথ্য সংগ্রহে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং সংবাদ প্রকাশে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্বের মধ্যে গণমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য প্রদানে অনীহা বা যোগাযোগ এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিপন্থী।
এ বিষয়ে সাংবাদিকরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জনস্বার্থে সরকারি দপ্তরগুলোর তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকদের ফোন রিসিভ না করার অভিযোগ উঠেছে। তথ্য সংগ্রহ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও অধিকাংশ সময় তাঁকে ফোনে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। বিষয়টি সরকারি দপ্তরের তথ্যপ্রবাহ, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাংবাদিকদের দাবি, ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরা তথ্য সংগ্রহের জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি ফোন রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) দুপুরে উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) গঠন সংক্রান্ত তথ্য জানতে অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংবাদিক পৃথক ভাবে একাধিকবার তাঁর সরকারি ও ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে কল করেন। তবে কোনো কলেরই সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা।
পরে কয়েকজন সাংবাদিক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে ফোন রিসিভ না করার কারণ জানতে চাইলে দীপক কুমার বিশ্বাস বলেন, তিনি কখনও ওয়াশরুমে, কখনও বাথরুমে অথবা অফিসিয়াল কাজে ব্যস্ত থাকায় ফোন ধরতে পারেননি। এছাড়া তিনি বলেন, অনেকের নম্বর আমার মোবাইলে সেভ নেই। সেভ না থাকলে সব সময় ফোন ধরা সম্ভব হয় না।
তবে সাংবাদিকদের অভিযোগ, এ ধরনের ব্যাখ্যা তিনি দীর্ঘদিন ধরেই দিয়ে আসছেন। গুরুত্বপূর্ণ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও অধিকাংশ সময় ফোন রিসিভ না করায় তথ্য সংগ্রহে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং সংবাদ প্রকাশে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্বের মধ্যে গণমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য প্রদানে অনীহা বা যোগাযোগ এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিপন্থী।
এ বিষয়ে সাংবাদিকরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জনস্বার্থে সরকারি দপ্তরগুলোর তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
