ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় আবারও এক ১১ বছরের শিশু মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মজিবর রহমান (৫৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
অভিযুক্ত মজিবর রহমান ভুক্তভোগী শিশুর প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে ভাসুর বলে জানা গেছে। গত ১৪ জুলাই ২০২৬ , মঙ্গলবার বিকেলে ত্রিশাল থানাধীন ২ নং বৈলর ইউনিয়নের কানহর মোড়ল বাড়ী এলাকায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে।
মায়ের অনুপস্থিতিতে ও পারিবারিক ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশু (১১) বৈলর কানহর এডিএস আলীম মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী। ঘটনার দিন দুপুরে তার মা পারভিন বেগম বড় মেয়েকে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহের আল হেরা হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ সময় বাড়িতে ছোট মেয়ে ও তার ৮ বছর বয়সী ছোট ভাই ফুয়াদ ছাড়া আর কেউ ছিল না। এই সুযোগে বিকেল অনুমান ৪:০০ ঘটিকার সময় শিশুটি রান্নাঘরে গেলে, আগে থেকে ও'ত পেতে থাকা মজিবর রহমান তার পিছু পিছু রান্নাঘরে প্রবেশ করে।
সেখানে সে শিশুটিকে জাপটেধরে তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ধর্ষণের চে'ষ্টা চালায়। এ সময় চতুর শিশুটি কোনোমতে তার থেকে নিজেকে মুক্ত করে দৌড়ে বাড়ির সামনে পুকুরপাড়ে চলে যায় এবং নিজের আত্মরক্ষা করে।
সন্ধ্যা অনুমান ০৬:২০ ঘটিকার সময় ভুক্তভোগীর মা পারভিন বেগম হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে ছোট মেয়েকে মারাত্মক বিষণ্ণ এবং ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় দেখতে পান। মায়ের ক্রমাগত জিজ্ঞাসাবাদের মুখে একপর্যায়ে শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া পাশবিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেয়।
এরপর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত মজিবর রহমানকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সবার উপস্থিতিতে সে নিজের অপরাধ ও শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার কথা স্বীকার করে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সাথে সাথে মজিবর রহমানকে আটকে রেখে ত্রিশাল থানা পুলিশকে খবর দেয়।
এ বিষয়ে ত্রিশাল থানা পুলিশ জানায়, আসামিকে আটক করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় আবারও এক ১১ বছরের শিশু মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মজিবর রহমান (৫৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
অভিযুক্ত মজিবর রহমান ভুক্তভোগী শিশুর প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে ভাসুর বলে জানা গেছে। গত ১৪ জুলাই ২০২৬ , মঙ্গলবার বিকেলে ত্রিশাল থানাধীন ২ নং বৈলর ইউনিয়নের কানহর মোড়ল বাড়ী এলাকায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে।
মায়ের অনুপস্থিতিতে ও পারিবারিক ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশু (১১) বৈলর কানহর এডিএস আলীম মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী। ঘটনার দিন দুপুরে তার মা পারভিন বেগম বড় মেয়েকে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহের আল হেরা হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ সময় বাড়িতে ছোট মেয়ে ও তার ৮ বছর বয়সী ছোট ভাই ফুয়াদ ছাড়া আর কেউ ছিল না। এই সুযোগে বিকেল অনুমান ৪:০০ ঘটিকার সময় শিশুটি রান্নাঘরে গেলে, আগে থেকে ও'ত পেতে থাকা মজিবর রহমান তার পিছু পিছু রান্নাঘরে প্রবেশ করে।
সেখানে সে শিশুটিকে জাপটেধরে তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ধর্ষণের চে'ষ্টা চালায়। এ সময় চতুর শিশুটি কোনোমতে তার থেকে নিজেকে মুক্ত করে দৌড়ে বাড়ির সামনে পুকুরপাড়ে চলে যায় এবং নিজের আত্মরক্ষা করে।
সন্ধ্যা অনুমান ০৬:২০ ঘটিকার সময় ভুক্তভোগীর মা পারভিন বেগম হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে ছোট মেয়েকে মারাত্মক বিষণ্ণ এবং ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় দেখতে পান। মায়ের ক্রমাগত জিজ্ঞাসাবাদের মুখে একপর্যায়ে শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া পাশবিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেয়।
এরপর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত মজিবর রহমানকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সবার উপস্থিতিতে সে নিজের অপরাধ ও শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার কথা স্বীকার করে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সাথে সাথে মজিবর রহমানকে আটকে রেখে ত্রিশাল থানা পুলিশকে খবর দেয়।
এ বিষয়ে ত্রিশাল থানা পুলিশ জানায়, আসামিকে আটক করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
