বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো রাস্তায় নেমেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ বিক্ষোভকারীরা। ঢাকার সায়েন্সল্যাব মোড় থেকে শুরু করে উত্তরার বিএনএস সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এর মধ্যেই জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগের ঘোষণা দিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে যেসব শিক্ষার্থী চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কোনো বিষয়ে অংশ নিতে পারেননি, তারা চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একই তারিখে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, তাই বিশেষ বিবেচনায় এই সুযোগ দেওয়া হলো।
শিক্ষামন্ত্রী এও উল্লেখ করেন যে, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রে ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দায়ী ব্যক্তিদের ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ছয় ও সাত নম্বর প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে, তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।
বিক্ষোভকারীরা "মিলন – ভুয়া...মিলন – ভুয়া" কিংবা "দফা এক, দাবি এক – শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ", "তুমি কে, আমি কে – ফার্মের মুরগি", "আপস না সংগ্রাম – সংগ্রাম, সংগ্রাম" ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। স্থানীয় গণমাধ্যমকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, গতকাল রাত অবধি আন্দোলনকারীরা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে না পারায় আজকের পরীক্ষা বন্ধ না করার জন্য তারা আন্দোলনে নেমেছেন।
ঢাকার বাইরেও জয়পুরহাট ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একই দাবিতে অনেক শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের ফলে ঢাকার বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চলমান পরিস্থিতিতে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো রাস্তায় নেমেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ বিক্ষোভকারীরা। ঢাকার সায়েন্সল্যাব মোড় থেকে শুরু করে উত্তরার বিএনএস সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এর মধ্যেই জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগের ঘোষণা দিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে যেসব শিক্ষার্থী চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কোনো বিষয়ে অংশ নিতে পারেননি, তারা চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একই তারিখে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, তাই বিশেষ বিবেচনায় এই সুযোগ দেওয়া হলো।
শিক্ষামন্ত্রী এও উল্লেখ করেন যে, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রে ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দায়ী ব্যক্তিদের ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ছয় ও সাত নম্বর প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে, তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।
বিক্ষোভকারীরা "মিলন – ভুয়া...মিলন – ভুয়া" কিংবা "দফা এক, দাবি এক – শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ", "তুমি কে, আমি কে – ফার্মের মুরগি", "আপস না সংগ্রাম – সংগ্রাম, সংগ্রাম" ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। স্থানীয় গণমাধ্যমকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, গতকাল রাত অবধি আন্দোলনকারীরা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে না পারায় আজকের পরীক্ষা বন্ধ না করার জন্য তারা আন্দোলনে নেমেছেন।
ঢাকার বাইরেও জয়পুরহাট ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একই দাবিতে অনেক শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের ফলে ঢাকার বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চলমান পরিস্থিতিতে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
