ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অপহরণ, মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু, ১২৭টি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), সাতটি মোবাইল ফোন, একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র, একটি হুক্কা, একটি ব্যাংকের চেকবই এবং কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও র্যাব-১০-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন (৩৫) চুনকুটিয়া চৌরাস্তা থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি টিনশেড ঘরে ডেকে নেওয়া হয়।
সেখানে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করে নগদ ৪৫ হাজার টাকা ও ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে রাখা হয়। পরে জ্ঞান ফিরে এলে পুনরায় চাঁদার টাকা দাবি করা হলে তিনি বিকাশের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩৬৫, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩২৮, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় মামলা নং-৩৫, তারিখ: ১২ জুলাই ২০২৬ রুজু করা হয়।
মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ১৪ জুলাই ২০২৬ বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
১। মো. সিয়াম (২৩), পিতা: মো. বশির আহম্মেদ;
২। মো. রাব্বি হাসান (২৬), পিতা: শহিদ মিয়া;
৩। মো. সোহাগ (৩০), পিতা: আব্দুল আলীম (মৃত); এবং
৪। মো. রাসেল ওরফে নাছির (২৬), পিতা: আইয়ূব আলী (মৃত)।
গ্রেপ্তারকৃতদের সবার ঠিকানা: শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া, থানা- দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু, বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ইস্যুকৃত ১২৭টি জাতীয় পরিচয়পত্র, সাতটি মোবাইল ফোন, একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র, একটি হুক্কা, একটি ব্যাংকের চেকবই এবং কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: র্যাব-১০-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
গড় রেটিং: ৫/৫ (১ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অপহরণ, মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু, ১২৭টি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), সাতটি মোবাইল ফোন, একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র, একটি হুক্কা, একটি ব্যাংকের চেকবই এবং কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও র্যাব-১০-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন (৩৫) চুনকুটিয়া চৌরাস্তা থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি টিনশেড ঘরে ডেকে নেওয়া হয়।
সেখানে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করে নগদ ৪৫ হাজার টাকা ও ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে রাখা হয়। পরে জ্ঞান ফিরে এলে পুনরায় চাঁদার টাকা দাবি করা হলে তিনি বিকাশের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩৬৫, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩২৮, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় মামলা নং-৩৫, তারিখ: ১২ জুলাই ২০২৬ রুজু করা হয়।
মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ১৪ জুলাই ২০২৬ বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
১। মো. সিয়াম (২৩), পিতা: মো. বশির আহম্মেদ;
২। মো. রাব্বি হাসান (২৬), পিতা: শহিদ মিয়া;
৩। মো. সোহাগ (৩০), পিতা: আব্দুল আলীম (মৃত); এবং
৪। মো. রাসেল ওরফে নাছির (২৬), পিতা: আইয়ূব আলী (মৃত)।
গ্রেপ্তারকৃতদের সবার ঠিকানা: শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া, থানা- দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু, বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ইস্যুকৃত ১২৭টি জাতীয় পরিচয়পত্র, সাতটি মোবাইল ফোন, একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র, একটি হুক্কা, একটি ব্যাংকের চেকবই এবং কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: র্যাব-১০-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
