ইয়েমেনের রাজধানী সান’আ-তে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি নেতৃত্বাধীন বিমান বাহিনীর দ্বারা একটি ভয়াবহ বিমান হামলা (এয়ার স্ট্রাইক) সংঘটিত হয়েছে।
এই হামলার ফলে বিমানবন্দরের রানওয়েতে থাকা একটি যাত্রীবাহী বিমানে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, হামলাটি এতটাই অতর্কিত ও শক্তিশালী ছিল যে, বিমানবন্দর জুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ফুটেজে দেখা যায়, রানওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি সাদা যাত্রীবাহী বিমানের পেছনের অংশ থেকে দাউদাউ করে আগুনের শিখা এবং কুচকুচে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো বিমানবন্দর এলাকা।
হামলার ঠিক পর মুহূর্তের দৃশ্যে দেখা যায়, বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড স্টাফ এবং নিরাপত্তাকর্মীরা প্রাণের ভয়ে পাগলের মতো দৌড়াচ্ছেন।
একজন নিরাপত্তাকর্মীকে আতঙ্কিত মুখে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে দৌড়াতে দেখা গেছে। একই সাথে, বিমানবন্দরের একটি মোবাইল সিঁড়ি (passenger stairs) এবং অন্যান্য গ্রাউন্ড সাপোর্ট যানবাহনগুলো জ্বলন্ত বিমানের পাশেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা ইঙ্গিত দেয় যে হামলাটি সম্ভবত বোর্ডিং বা আনবোর্ডিং চলাকালীন ঘটেছে।
এই ভয়াবহ হামলার দায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের ওপর চাপানো হচ্ছে। ইয়েমেনের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই এয়ার স্ট্রাইকটিকে দেশটির ভঙ্গুর শান্তি প্রক্রিয়ার ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত এই হামলায় সুনির্দিষ্টভাবে কতজন হতাহত হয়েছেন, সে সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জ্বলন্ত বিমান এবং আতঙ্কিত মানুষের দৌড়াদৌড়ির দৃশ্য থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, বেশ কয়েকজন গ্রাউন্ড ক্রু বা যাত্রী হতাহত হতে পারেন।
সান’আ বিমানবন্দরটি ইয়েমেনের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য। এই হামলার ফলে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে, যা দেশটির চলমান মানবিক সংকটকে আরও গভীর করবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং অবিলম্বে হামলা বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ণ
ইয়েমেনের রাজধানী সান’আ-তে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি নেতৃত্বাধীন বিমান বাহিনীর দ্বারা একটি ভয়াবহ বিমান হামলা (এয়ার স্ট্রাইক) সংঘটিত হয়েছে।
এই হামলার ফলে বিমানবন্দরের রানওয়েতে থাকা একটি যাত্রীবাহী বিমানে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, হামলাটি এতটাই অতর্কিত ও শক্তিশালী ছিল যে, বিমানবন্দর জুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ফুটেজে দেখা যায়, রানওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি সাদা যাত্রীবাহী বিমানের পেছনের অংশ থেকে দাউদাউ করে আগুনের শিখা এবং কুচকুচে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো বিমানবন্দর এলাকা।
হামলার ঠিক পর মুহূর্তের দৃশ্যে দেখা যায়, বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড স্টাফ এবং নিরাপত্তাকর্মীরা প্রাণের ভয়ে পাগলের মতো দৌড়াচ্ছেন।
একজন নিরাপত্তাকর্মীকে আতঙ্কিত মুখে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে দৌড়াতে দেখা গেছে। একই সাথে, বিমানবন্দরের একটি মোবাইল সিঁড়ি (passenger stairs) এবং অন্যান্য গ্রাউন্ড সাপোর্ট যানবাহনগুলো জ্বলন্ত বিমানের পাশেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা ইঙ্গিত দেয় যে হামলাটি সম্ভবত বোর্ডিং বা আনবোর্ডিং চলাকালীন ঘটেছে।
এই ভয়াবহ হামলার দায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের ওপর চাপানো হচ্ছে। ইয়েমেনের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই এয়ার স্ট্রাইকটিকে দেশটির ভঙ্গুর শান্তি প্রক্রিয়ার ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত এই হামলায় সুনির্দিষ্টভাবে কতজন হতাহত হয়েছেন, সে সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জ্বলন্ত বিমান এবং আতঙ্কিত মানুষের দৌড়াদৌড়ির দৃশ্য থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, বেশ কয়েকজন গ্রাউন্ড ক্রু বা যাত্রী হতাহত হতে পারেন।
সান’আ বিমানবন্দরটি ইয়েমেনের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য। এই হামলার ফলে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে, যা দেশটির চলমান মানবিক সংকটকে আরও গভীর করবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং অবিলম্বে হামলা বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
