দেশের যুবসমাজকে আধুনিক, দক্ষ ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে 'জাতীয় যুব নীতি ২০১৭' সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই, ২০২৬) রাজধানী ঢাকার বিয়াম (BIAM) ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এই সংশোধন বিষয়ক একটি জাতীয় অবহিতকরণ কর্মশালা (National Inception Workshop) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক দেশের সার্বিক উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন:
"পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের যুব নীতিকে আরও আধুনিক ও বাস্তবমুখী করা প্রয়োজন। যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থান ও তাদের অধিকার সুরক্ষায় এই নীতি সংশোধন বড় ভূমিকা রাখবে।"
তিনি আরও আশ্বস্ত করেন যে, দেশের সকল স্তরের তরুণ ও যুবকদের মতামত এবং অংশীজনদের সুপারিশ বিবেচনা করেই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর যুব নীতি চূড়ান্ত করা হবে।
বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এই জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মূল ব্যানার থেকে জানা যায়, এতে বিশেষ অতিথি, সম্মানিত অতিথি এবং সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
ইউএনএফপিএ (UNFPA) বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামকোং (Kamkong)।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (DG) জাহের হোসেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ (যিনি অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন)।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, যুব সংগঠক, সমাজকর্মী এবং তরুণ উদ্যোক্তারা অংশ নেন। তাঁরা জাতীয় যুব নীতি ২০১৭ সংশোধনের বিভিন্ন দিক, বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং তা উত্তরণের উপায় নিয়ে দলগত আলোচনা ও নিজেদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
দেশের যুবসমাজকে আধুনিক, দক্ষ ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে 'জাতীয় যুব নীতি ২০১৭' সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই, ২০২৬) রাজধানী ঢাকার বিয়াম (BIAM) ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এই সংশোধন বিষয়ক একটি জাতীয় অবহিতকরণ কর্মশালা (National Inception Workshop) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক দেশের সার্বিক উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন:
"পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের যুব নীতিকে আরও আধুনিক ও বাস্তবমুখী করা প্রয়োজন। যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থান ও তাদের অধিকার সুরক্ষায় এই নীতি সংশোধন বড় ভূমিকা রাখবে।"
তিনি আরও আশ্বস্ত করেন যে, দেশের সকল স্তরের তরুণ ও যুবকদের মতামত এবং অংশীজনদের সুপারিশ বিবেচনা করেই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর যুব নীতি চূড়ান্ত করা হবে।
বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এই জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মূল ব্যানার থেকে জানা যায়, এতে বিশেষ অতিথি, সম্মানিত অতিথি এবং সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
ইউএনএফপিএ (UNFPA) বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামকোং (Kamkong)।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (DG) জাহের হোসেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ (যিনি অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন)।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, যুব সংগঠক, সমাজকর্মী এবং তরুণ উদ্যোক্তারা অংশ নেন। তাঁরা জাতীয় যুব নীতি ২০১৭ সংশোধনের বিভিন্ন দিক, বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং তা উত্তরণের উপায় নিয়ে দলগত আলোচনা ও নিজেদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।
