শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল গোপনীয়তা রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তুরস্কের জাতীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশটির সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ছবি ও ভিডিও অনলাইনে প্রকাশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে একটি পরিপত্র পাঠানো হয়েছে।
দেশের সব প্রাদেশিক শিক্ষা দপ্তরে পাঠানো এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিনা অনুমতিতে শিক্ষার্থীর ছবি ব্যবহার এখন থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইনের সঙ্গে সংগতি রেখে এবং সাইবার বুলিং ও পরিচয় অপব্যবহারের ঝুঁকি এড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যবহার করে থাকে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে এই চর্চায় কঠোর বিধিনিষেধ মানতে হবে। এমনকি অভিভাবকের সম্মতি থাকলেও ছবির ব্যবহার হতে হবে মার্জিত এবং শিক্ষার্থীর মর্যাদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যৌন নিপীড়নের শঙ্কা ও অনলাইন অপরাধীদের হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং নিয়ম ভাঙলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নিয়ম কার্যকর করার মূল দায়িত্বে থাকবেন স্কুলপ্রধানরা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল গোপনীয়তা রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তুরস্কের জাতীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশটির সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ছবি ও ভিডিও অনলাইনে প্রকাশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে একটি পরিপত্র পাঠানো হয়েছে।
দেশের সব প্রাদেশিক শিক্ষা দপ্তরে পাঠানো এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিনা অনুমতিতে শিক্ষার্থীর ছবি ব্যবহার এখন থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইনের সঙ্গে সংগতি রেখে এবং সাইবার বুলিং ও পরিচয় অপব্যবহারের ঝুঁকি এড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যবহার করে থাকে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে এই চর্চায় কঠোর বিধিনিষেধ মানতে হবে। এমনকি অভিভাবকের সম্মতি থাকলেও ছবির ব্যবহার হতে হবে মার্জিত এবং শিক্ষার্থীর মর্যাদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যৌন নিপীড়নের শঙ্কা ও অনলাইন অপরাধীদের হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং নিয়ম ভাঙলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নিয়ম কার্যকর করার মূল দায়িত্বে থাকবেন স্কুলপ্রধানরা।
