সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের উন্নয়ন কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম গাফিলতিতে ভোগান্তির শেষ নেই যাত্রীদের। খোঁড়াখুঁড়ির পর বালু-পুরাতন ইটের খোয়া দিয়ে ফেলে রাখায় কয়েকদিনের বৃষ্টিতেই পুরো রাস্তা কাদায় পরিণত হয়েছে। এতে দূরপাল্লার যানবাহনসহ স্থানীয়দের চলাচল প্রায় বন্ধ।
শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে কালিগঞ্জের মৌতলা পর্যন্ত মহাসড়কের বিশাল অংশ জুড়ে মাসের পর মাস ধরে খোঁড়াখুঁড়ি করে রাখা হয়েছে। এরপর নিম্নমানের বালু ও পুরাতন ইটের খোয়ার মিশ্রণ দিয়ে ভরাট করে ফেলে রাখা হয়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সেই মিশ্রণ কাদা-ইটে পরিণত হয়ে পুরো সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
অথচ একই মহাসড়কের পাশের প্যাকেজের কাজ করা ঠিকাদার খোয়ার উপর পাথরের লেয়ার দিয়ে রোলার করে দিয়েছেন। ফলে ভারী বর্ষাতেও সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
স্থানীয় ভ্যানচালক ইয়াসিন হোসেন বলেন, “আমরা ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাই। কিন্তু এই রাস্তায় দুইজন যাত্রী নিয়ে গেলেই চাকা নিম্নমানের খোয়ায় ঢুকে যায়। ভ্যানই চালানো যাচ্ছে না। পাশের অংশে পাথর দেওয়ায় সেটা দিয়ে চলা গেলেও এই অংশে একদমই পারছি না।”
স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, “সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়কের কাজ ৬টি ভাগে ভাগ করে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয় সবচেয়ে ধীরগতি ও নিম্নমানের কাজ করছে জহিরুল লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটি।”
প্রতিদিন এই রুটে চলাচল করে লক্ষাধিক যাত্রী। রাস্তার বেহাল দশার কারণে সময় ও ভাড়া দুই-ই বেশি গুনতে হচ্ছে তাদের।
রাস্তার এমন বেহাল দশায় চরম ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। দ্রুত রাস্তা চলাচল উপযোগী করা এবং দায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের উন্নয়ন কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম গাফিলতিতে ভোগান্তির শেষ নেই যাত্রীদের। খোঁড়াখুঁড়ির পর বালু-পুরাতন ইটের খোয়া দিয়ে ফেলে রাখায় কয়েকদিনের বৃষ্টিতেই পুরো রাস্তা কাদায় পরিণত হয়েছে। এতে দূরপাল্লার যানবাহনসহ স্থানীয়দের চলাচল প্রায় বন্ধ।
শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে কালিগঞ্জের মৌতলা পর্যন্ত মহাসড়কের বিশাল অংশ জুড়ে মাসের পর মাস ধরে খোঁড়াখুঁড়ি করে রাখা হয়েছে। এরপর নিম্নমানের বালু ও পুরাতন ইটের খোয়ার মিশ্রণ দিয়ে ভরাট করে ফেলে রাখা হয়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সেই মিশ্রণ কাদা-ইটে পরিণত হয়ে পুরো সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
অথচ একই মহাসড়কের পাশের প্যাকেজের কাজ করা ঠিকাদার খোয়ার উপর পাথরের লেয়ার দিয়ে রোলার করে দিয়েছেন। ফলে ভারী বর্ষাতেও সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
স্থানীয় ভ্যানচালক ইয়াসিন হোসেন বলেন, “আমরা ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাই। কিন্তু এই রাস্তায় দুইজন যাত্রী নিয়ে গেলেই চাকা নিম্নমানের খোয়ায় ঢুকে যায়। ভ্যানই চালানো যাচ্ছে না। পাশের অংশে পাথর দেওয়ায় সেটা দিয়ে চলা গেলেও এই অংশে একদমই পারছি না।”
স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, “সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়কের কাজ ৬টি ভাগে ভাগ করে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয় সবচেয়ে ধীরগতি ও নিম্নমানের কাজ করছে জহিরুল লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটি।”
প্রতিদিন এই রুটে চলাচল করে লক্ষাধিক যাত্রী। রাস্তার বেহাল দশার কারণে সময় ও ভাড়া দুই-ই বেশি গুনতে হচ্ছে তাদের।
রাস্তার এমন বেহাল দশায় চরম ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। দ্রুত রাস্তা চলাচল উপযোগী করা এবং দায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
