সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে মুখ চেপে ও গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ধর্ষণের পাশবিক দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে এক সহযোগীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে শাল্লা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ প্রধান আসামি মো. সুফাইল মিয়াকে (২০) ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে।
অভিযুক্তরা হলেন— শাল্লা উপজেলার ২নং হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামের মহিম উদ্দিনের ছেলে মো. সুফাইল মিয়া এবং একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে ও ধর্ষণের সহযোগী সায়েক মিয়া (২০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। গত ১০ জুন সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সে বাড়ির পেছনের পুকুরপাড়ে নিজেদের হাঁস খুঁজতে যায়। এ সময় সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা বখাটে সুফাইল মিয়া পেছন দিক থেকে অতর্কিতে শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে চিৎকার দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সুফাইল মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
এই জঘন্য অপরাধে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে তার সহযোগী সায়েক মিয়া। সে নিজের মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে গত ১১ জুলাই বিকেলে শাল্লা থানায় এসে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. রোকিবুজ্জামান জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা নং-০৮, তারিখ: ১/০৭/২০২৬ খ্রি.। মামলার প্রধান আসামি সুফাইল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ভিকটিম শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে মুখ চেপে ও গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ধর্ষণের পাশবিক দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে এক সহযোগীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে শাল্লা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ প্রধান আসামি মো. সুফাইল মিয়াকে (২০) ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে।
অভিযুক্তরা হলেন— শাল্লা উপজেলার ২নং হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামের মহিম উদ্দিনের ছেলে মো. সুফাইল মিয়া এবং একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে ও ধর্ষণের সহযোগী সায়েক মিয়া (২০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। গত ১০ জুন সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সে বাড়ির পেছনের পুকুরপাড়ে নিজেদের হাঁস খুঁজতে যায়। এ সময় সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা বখাটে সুফাইল মিয়া পেছন দিক থেকে অতর্কিতে শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে চিৎকার দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সুফাইল মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
এই জঘন্য অপরাধে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে তার সহযোগী সায়েক মিয়া। সে নিজের মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে গত ১১ জুলাই বিকেলে শাল্লা থানায় এসে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. রোকিবুজ্জামান জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা নং-০৮, তারিখ: ১/০৭/২০২৬ খ্রি.। মামলার প্রধান আসামি সুফাইল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ভিকটিম শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
