নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর পূর্বপাড়া এলাকায় গরু চোর সিন্ডিকেটের কথিত একটি আস্তানায় দুই দফা বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ। অভিযানে আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মিনহাজুল হক আকিল, এসআই মোশাররফ হোসেন এবং এসআই শেখ তৌফিক আমীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মদনপুর পূর্বপাড়ায় অভিযান চালায়। অভিযানে আব্দুছ ছালামের গোয়ালঘর থেকে ৭টি, রফিকুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে ৩টি এবং লুৎ মিয়ার গোয়ালঘর থেকে আরও ৩টিসহ মোট ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। একই সময় আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের সদস্য আব্দুছ ছালামকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে আটক আব্দুছ ছালামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, জেলা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর তথ্য সারাদেশে প্রচার করা হলে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কয়েকজন বাসিন্দা থানায় এসে উদ্ধার হওয়া ৭টি গরু নিজেদের বলে শনাক্ত করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মালিকানা যাচাই শেষে প্রকৃত মালিকদের কাছে গরুগুলো হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে গ্রেপ্তারকৃত আব্দুছ ছালামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এসআই আকামল হোসেনের নেতৃত্বে একই এলাকায় দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় আজিজ মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ২টি এবং আনিক মিয়ার গোয়ালঘর থেকে আরও ২টি গরু উদ্ধার করা হয়। দুই দফার অভিযানে মোট ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ গরু চোর সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। তারা এই চক্রের নেপথ্যে থাকা মূল হোতা ও গডফাদারদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, গরু চুরির সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের গ্রেপ্তার এবং পুরো সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর পূর্বপাড়া এলাকায় গরু চোর সিন্ডিকেটের কথিত একটি আস্তানায় দুই দফা বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ। অভিযানে আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মিনহাজুল হক আকিল, এসআই মোশাররফ হোসেন এবং এসআই শেখ তৌফিক আমীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মদনপুর পূর্বপাড়ায় অভিযান চালায়। অভিযানে আব্দুছ ছালামের গোয়ালঘর থেকে ৭টি, রফিকুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে ৩টি এবং লুৎ মিয়ার গোয়ালঘর থেকে আরও ৩টিসহ মোট ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। একই সময় আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের সদস্য আব্দুছ ছালামকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে আটক আব্দুছ ছালামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, জেলা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর তথ্য সারাদেশে প্রচার করা হলে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কয়েকজন বাসিন্দা থানায় এসে উদ্ধার হওয়া ৭টি গরু নিজেদের বলে শনাক্ত করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মালিকানা যাচাই শেষে প্রকৃত মালিকদের কাছে গরুগুলো হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে গ্রেপ্তারকৃত আব্দুছ ছালামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এসআই আকামল হোসেনের নেতৃত্বে একই এলাকায় দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় আজিজ মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ২টি এবং আনিক মিয়ার গোয়ালঘর থেকে আরও ২টি গরু উদ্ধার করা হয়। দুই দফার অভিযানে মোট ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ গরু চোর সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। তারা এই চক্রের নেপথ্যে থাকা মূল হোতা ও গডফাদারদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, গরু চুরির সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের গ্রেপ্তার এবং পুরো সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
