শত শত সাংবাদিক সহ ব্যবসায়ী দের সাথে আর্থিক প্রতারনা ও বিভিন্ন নারীদের সাথে প্রতারনা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার সদ্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ কারী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জোবায়ের হোসেন যাদুর বিরুদ্ধে ষোলো বছরে পদার্পণ করা দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত আছেন আলাউদ্দিন রায়হান যিনি ভালো করে কথাও বলতে পারেন না । এমন ব্যক্তি কে প্রধান সম্পাদকের চেয়ারে বসিয়ে ঘারে চেপে মাথায় কাঁঠাল রেখে খাওয়ার মত করে পুরোটা দেশ প্রতিদিন পত্রিকার কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন ছেলে জোবায়ের হোসেন যাদু দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন নাম্বার গুগলে নেই তবু ও তিনি এটাকে জাতীয় পত্রিকা বলে প্রচার করেন এর নামে DDP টেলিভিশন চালু করা হয়েছে যার রেজিঃ নং c-189121 এবং দেশ প্রতিদিন পত্রিকার সিরিয়াল নং ৬৪২ জানিয়ে যাদু বলেন দেশ প্রতিদিন পত্রিকা সরকার নিবন্ধিত জাতীয় দৈনিক এবং এটি সবচেয়ে সুন্দর নাম দেশ প্রতিদিন, এমন করে বক্তব্য দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের মগজ ধোলাই করেন দেশের মানুষ প্রতিদিন এই পত্রিকা পড়বে বলে তিনি প্রচার করে আসছেন অথচ এই পত্রিকা কোনো প্রকাশনিতে নিয়মিত ছাপা হয় না বরং খুচরাভাবে দশটা বিশটা করে পত্রিকা ছাপিয়ে তা দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে প্রতারণার কাজ চালিয়ে আসছেন।
দেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি ও পরিচালক নিয়োগের নামে সারাবছরই চলে আসছে কার্ড বানিজ্য দেশ প্রতিদিন পত্রিকার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতিনিধি দের নানা ছলনার মিষ্টি বানীতে ফুঁসলিয়ে নতুন নতুন যুবকদের কে প্রশিক্ষণ দিয়ে সাংবাদিক বানানোর কথা বলে নানাভাবে বুঝিয়ে বিভিন্ন এমাউন্টের অর্থ আদায় করে আসছে জোবায়ের হোসেন যাদুর দেশ প্রতিদিনের নামে বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তার বক্তব্যের অডিও রেকর্ড থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে তিনি নতুন সাংবাদিক হতে চাওয়া যুবকদের সহ সিনিয়র জুনিয়র সাংবাদিকদের কে প্রথমে নিয়োগের নামে চটকদার বিজ্ঞাপন ফেইসবুকে আপলোড করে।
আকর্ষণীয় সুবিধায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেখে বহু সাংবাদিক সহ চাকরী প্রত্যাশিরা এবং ছাত্রছাত্রীরা অধিক ভালো সুবিধা সহ প্রশিক্ষণ নিয়ে সাংবাদিক পেশায় কাজ করতে আগ্রহী হয়ে যাদুর তৈরি বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হয় এবং মুঠোফোনে যোগাযোগ করে।
এসময় জোবায়ের হোসেন যাদু দেশ প্রতিদিনে কাজ করতে আগ্রহী ব্যক্তিদেরকে প্রথমে বলে কার্ড নিতে কোনো টাকা পয়সা লাগবেনা, ফ্রি কার্ড, গেঞ্জি, ফিতা, স্টিকার এসব দেওয়া হবে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করে তারপর বলেন যে, দেশ প্রতিদিনের কার্ড পেতে হলে ভালো মানের সাংবাদিক হতে হবে এবং বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
তবে এই প্রশিক্ষণ ফি থানা পর্যায়ের সাংবাদিক হলে সারে চার হাজার পাঁচ হাজার দশ হাজার বা তার থেকে ও বেশি দিতে হবে বলে দাবি করতে থাকেন। এসময় যাদু সাংবাদিকদেরকে কার্ড নিতে এবং প্রশিক্ষণ ফি দিতে রাজি করাতে যত ছলনা ও মিথ্যাচার করে থাকেন।
সাংবাদিক পেশায় যুক্ত হতে চাওয়া নতুন যুবকদের তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়ে টার্গেট করেন। প্রতিদিন পত্রিকা জেলায় জেলায় পাঠানো হবে এবং এটা নামকরা জাতীয় দৈনিক পত্রিকা বলে হাইলাইটস করে থাকে। অগ্রীম টাকা দিতে হবে না কার্ড, গেঞ্জি ফ্রি অথচ প্রশিক্ষণ ফি বাবদ আলোচনা অনুযায়ী চার পাঁচ-দশ হাজার যা কথা হবে তা কার্ড হাতে পাওয়ার সাথে সাথে কুরিয়ার সার্ভিসের লোকের হাতে দিতে হবে বলে শর্ত জুড়ে দিয়ে তারপর কার্ড পাঠানো হয়।
সারাদেশ ব্যাপী সারাবছরই চলে এই নিয়োগ বাণিজ্য। মিষ্টি কথা শুনে তার ফাঁদে পা দেয়া আটানব্বই ভাগ মানুষ সাংবাদিক ছাত্র ছাত্রীসহ ব্যবসায়ীরা আকৃষ্ট হয়ে টাকা দিয়ে কার্ড গ্রহন করে। এরপরই দেখা যায় তার আসল চেহারা। একসপ্তাহ পরই তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন, কল দিলে রিসিভ করে না। আবার যদিও কাউকে তার গ্রুপে যুক্ত করে তাহলে তাদের পাঠানো নিউজ পাব্লিশ করে না বরং নিউজ এডিটর বিলের অযুহাতে আরো টাকা দাবি করতে থাকে। বলেন যে, নিউজ এডিটর বিল না দিলে নিউজ পাব্লিশ করা হবে না।
পত্রিকা চাইলে টালবাহানা শুরু করে বলেন, আপনারা টাকা না দিলে পত্রিকা প্রিন্ট হবে কি করে। এসব বলে টাকা নিয়ে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে তিনি প্রতিনিধিদের গ্রুপে যুক্ত করে শুরু করেন নানা কৌশলে নানা অযুহাতে অর্থ দাবির খেলা শুরু করেন। কেউ প্রতিবাদ করে কিছু বললে বা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকেই গ্রুপ থেকে রিমুভ করে দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, আর তাদের থেকে নেওয়া অর্থ আর ফেরত দেয়না।
এছাড়াও বিভিন্ন পিকনিক ট্যুর বাধ্যতামূলক করে তিনি বলেন, প্রতিনিধিদের বাধ্যতামূলক ট্যুরে যেতে হবে এবং ট্যুর ফি লাগবেনা বলে ফ্রি নেওয়া হবে বলে জানিয়ে সেখানে শর্ত জুড়ে দেন যে, ট্যুরে গিয়ে প্রশিক্ষণ হবে এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে এবং দেশ প্রতিদিন টিভি তথা DDP টেলিভিশন চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হবে, যার জন্য দশ হাজার টাকা মূল্যের টেলিভিশন পেকেজ কিনতে হবে বাধ্যতামূলক।
এই পেকেজে থাকবে বুম, ওয়্যারলেস, টি শার্ট, স্টিকার ইত্যাদি। এইসব বুমসহ বাকি সরঞ্জাম বাইরে থেকে কিনা যাবেনা, যাদুর কাছ থেকেই কিনতে হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। কেউ রাজি না হলে তাকে গ্রুপ থেকে রিমুভ করে তার থেকে হাতিয়ে নেয়া অর্থ ফেরত না দিয়ে ই তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে এসব বুম এর দাম মাত্র আঠারো শত বা দুই হাজার টাকা, যার জন্য তিনি দশ হাজার টাকা ছলনার মাধ্যমে হাতিয়ে নেন।
এভাবে প্রতারণা করে জোবায়ের হোসেন যাদু বাড়িগাড়ি তৈরি করেছেন। কোটিপতি হওয়ার সুবাধে যেখানে যায় সেখানেই বিয়ে করে কিছুদিন ভোগবিলাস করে নারীদের ছেড়ে পালিয়ে আসে। বহু নারীর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে আসারচও অভিযোগ রয়েছে যাদুর বিরুদ্ধে।
প্রতিমাসেই তার পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয় এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে পিকনিক ট্যুর হয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। জোবায়ের হোসেন যাদুর প্রতারণার শিকার সাংবাদিকরা আস্তে আস্তে এসব বিষয়ে জানতে পেরে সকলে যোগাযোগের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে এই প্রতারনার প্রতিবাদ করতে ঐক্যের ডাক দিয়ে তার প্রতারণার বিভিন্ন মেসেজ অডিও রেকর্ড, ক্লিপ ফেইসবুকে পোস্ট দিলে সারাদেশে প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
হাজারো সাংবাদিকসহ বিভিন্ন নারীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায় যে, জোবায়ের হোসেন যাদু একজন প্রতারক ও নারী লোভী। তিনি পঞ্চাশ টারও অধিক বিবাহ করেছেন এবং সবাইকে ছেড়ে পালিয়ে যান, বাচ্চাদের ভরণ পোষ্ণ দেন না। বিভিন্ন আবাসিক হোটেল বা বাসা ভাড়া করে চাকরি প্রত্যাশী নারীসহ বিভিন্ন নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে চাকরি দিবে বলে ব্লাকমেইল করে নারীদের শ্লীলতাহানি করে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে মেলামেশা করে তাদের বিয়ে না করে পালিয়ে যান।
তার পৈতৃক বাড়ি মানিকগঞ্জের নিজ এলাকার সন্ত্রাসীদের সাথে ও তার অবাধ মেলামেশা রয়েছে। জোবায়ের হোসেন যাদু ধর্ষণ মামলারও আসামি হিসেবে Rab এর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারেও ছিলেন অনেকদিন।
প্রতারণার শিকার সাংবাদিকদের বক্তব্য হলো- জোবায়ের হোসেন যাদুর "দেশ প্রতিদিন" পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল না হলে, তিনি এই পত্রিকার নাম ব্যবহার করে তার এইসব প্রতারণার কার্যক্রম চালিয়েই যাবেন এবং হাজারো সাংবাদিক, চাকরিপ্রত্যাশী ছাত্র-ছাত্রীসহ বহু অসহায় নারীদের জীবন ক্ষতি ও শঙ্কার মধ্যে পড়বে।
সাংবাদিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হয়েও সেই সাংবাদিকরাই যাদুর প্রতারনার শিকার হয়েছে এটা রাষ্ট্রের জন্য চরম অপমান জনক বিষয় এবং একটি কালো অধ্যায়। এই কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটানোর জন্য দেশ প্রতিদিন' পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল ও যাদুর গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মহল।
তার একাধিক স্ত্রী সন্তানদের ও অভিযোগ যে, তারা ভরন পোষন না পেয়ে খেয়ে না খেয়ে যাদুর অত্যাচার, মারধর ও হুমকি হয়রানির শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তার এলাকাবাসীসহ সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিক সমাজ এই ভন্ড, প্রতারক, নারী লোভী, অর্থলোভী, ধান্দাবাজ জোবায়ের হোসেন যাদুর এবং প্রতারনার আশ্রয় দান কারি আলাউদ্দিন রায়হানের দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল করে জোবায়ের হোসেন যাদুর গ্রেফতারের দাবিতে সাংবাদিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করবেন বলে জানিয়েছেন।
সরকারের কাছে সাংবাদিকদের দাবি, অনতিবিলম্বে জোবায়ের হোসেন যাদুর প্রতারণা বন্ধে দেশ প্রতিদিন' পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল করতে হবে এবং তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না নিলে অন্যান্য মুখোশধারী রাও পত্রিকা ও সম্পাদক শব্দ ব্যবহার করে প্রতারনার কাজ চালিয়ে যাওয়ার সাহস পাবে।
মুখোশধারী প্রতারকরা সাহস পেয়ে পত্রিকা ও নিরপরাধ ভালো মানের পেশাদার সত্য ধারার সম্পাদকদের এবং সাংবাদিক পেশার মধ্যে কালীমা লেপন করতে সুযোগ পাবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ
শত শত সাংবাদিক সহ ব্যবসায়ী দের সাথে আর্থিক প্রতারনা ও বিভিন্ন নারীদের সাথে প্রতারনা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার সদ্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ কারী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জোবায়ের হোসেন যাদুর বিরুদ্ধে ষোলো বছরে পদার্পণ করা দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত আছেন আলাউদ্দিন রায়হান যিনি ভালো করে কথাও বলতে পারেন না । এমন ব্যক্তি কে প্রধান সম্পাদকের চেয়ারে বসিয়ে ঘারে চেপে মাথায় কাঁঠাল রেখে খাওয়ার মত করে পুরোটা দেশ প্রতিদিন পত্রিকার কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন ছেলে জোবায়ের হোসেন যাদু দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন নাম্বার গুগলে নেই তবু ও তিনি এটাকে জাতীয় পত্রিকা বলে প্রচার করেন এর নামে DDP টেলিভিশন চালু করা হয়েছে যার রেজিঃ নং c-189121 এবং দেশ প্রতিদিন পত্রিকার সিরিয়াল নং ৬৪২ জানিয়ে যাদু বলেন দেশ প্রতিদিন পত্রিকা সরকার নিবন্ধিত জাতীয় দৈনিক এবং এটি সবচেয়ে সুন্দর নাম দেশ প্রতিদিন, এমন করে বক্তব্য দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের মগজ ধোলাই করেন দেশের মানুষ প্রতিদিন এই পত্রিকা পড়বে বলে তিনি প্রচার করে আসছেন অথচ এই পত্রিকা কোনো প্রকাশনিতে নিয়মিত ছাপা হয় না বরং খুচরাভাবে দশটা বিশটা করে পত্রিকা ছাপিয়ে তা দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে প্রতারণার কাজ চালিয়ে আসছেন।
দেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি ও পরিচালক নিয়োগের নামে সারাবছরই চলে আসছে কার্ড বানিজ্য দেশ প্রতিদিন পত্রিকার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতিনিধি দের নানা ছলনার মিষ্টি বানীতে ফুঁসলিয়ে নতুন নতুন যুবকদের কে প্রশিক্ষণ দিয়ে সাংবাদিক বানানোর কথা বলে নানাভাবে বুঝিয়ে বিভিন্ন এমাউন্টের অর্থ আদায় করে আসছে জোবায়ের হোসেন যাদুর দেশ প্রতিদিনের নামে বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তার বক্তব্যের অডিও রেকর্ড থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে তিনি নতুন সাংবাদিক হতে চাওয়া যুবকদের সহ সিনিয়র জুনিয়র সাংবাদিকদের কে প্রথমে নিয়োগের নামে চটকদার বিজ্ঞাপন ফেইসবুকে আপলোড করে।
আকর্ষণীয় সুবিধায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেখে বহু সাংবাদিক সহ চাকরী প্রত্যাশিরা এবং ছাত্রছাত্রীরা অধিক ভালো সুবিধা সহ প্রশিক্ষণ নিয়ে সাংবাদিক পেশায় কাজ করতে আগ্রহী হয়ে যাদুর তৈরি বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হয় এবং মুঠোফোনে যোগাযোগ করে।
এসময় জোবায়ের হোসেন যাদু দেশ প্রতিদিনে কাজ করতে আগ্রহী ব্যক্তিদেরকে প্রথমে বলে কার্ড নিতে কোনো টাকা পয়সা লাগবেনা, ফ্রি কার্ড, গেঞ্জি, ফিতা, স্টিকার এসব দেওয়া হবে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করে তারপর বলেন যে, দেশ প্রতিদিনের কার্ড পেতে হলে ভালো মানের সাংবাদিক হতে হবে এবং বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
তবে এই প্রশিক্ষণ ফি থানা পর্যায়ের সাংবাদিক হলে সারে চার হাজার পাঁচ হাজার দশ হাজার বা তার থেকে ও বেশি দিতে হবে বলে দাবি করতে থাকেন। এসময় যাদু সাংবাদিকদেরকে কার্ড নিতে এবং প্রশিক্ষণ ফি দিতে রাজি করাতে যত ছলনা ও মিথ্যাচার করে থাকেন।
সাংবাদিক পেশায় যুক্ত হতে চাওয়া নতুন যুবকদের তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়ে টার্গেট করেন। প্রতিদিন পত্রিকা জেলায় জেলায় পাঠানো হবে এবং এটা নামকরা জাতীয় দৈনিক পত্রিকা বলে হাইলাইটস করে থাকে। অগ্রীম টাকা দিতে হবে না কার্ড, গেঞ্জি ফ্রি অথচ প্রশিক্ষণ ফি বাবদ আলোচনা অনুযায়ী চার পাঁচ-দশ হাজার যা কথা হবে তা কার্ড হাতে পাওয়ার সাথে সাথে কুরিয়ার সার্ভিসের লোকের হাতে দিতে হবে বলে শর্ত জুড়ে দিয়ে তারপর কার্ড পাঠানো হয়।
সারাদেশ ব্যাপী সারাবছরই চলে এই নিয়োগ বাণিজ্য। মিষ্টি কথা শুনে তার ফাঁদে পা দেয়া আটানব্বই ভাগ মানুষ সাংবাদিক ছাত্র ছাত্রীসহ ব্যবসায়ীরা আকৃষ্ট হয়ে টাকা দিয়ে কার্ড গ্রহন করে। এরপরই দেখা যায় তার আসল চেহারা। একসপ্তাহ পরই তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন, কল দিলে রিসিভ করে না। আবার যদিও কাউকে তার গ্রুপে যুক্ত করে তাহলে তাদের পাঠানো নিউজ পাব্লিশ করে না বরং নিউজ এডিটর বিলের অযুহাতে আরো টাকা দাবি করতে থাকে। বলেন যে, নিউজ এডিটর বিল না দিলে নিউজ পাব্লিশ করা হবে না।
পত্রিকা চাইলে টালবাহানা শুরু করে বলেন, আপনারা টাকা না দিলে পত্রিকা প্রিন্ট হবে কি করে। এসব বলে টাকা নিয়ে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে তিনি প্রতিনিধিদের গ্রুপে যুক্ত করে শুরু করেন নানা কৌশলে নানা অযুহাতে অর্থ দাবির খেলা শুরু করেন। কেউ প্রতিবাদ করে কিছু বললে বা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকেই গ্রুপ থেকে রিমুভ করে দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, আর তাদের থেকে নেওয়া অর্থ আর ফেরত দেয়না।
এছাড়াও বিভিন্ন পিকনিক ট্যুর বাধ্যতামূলক করে তিনি বলেন, প্রতিনিধিদের বাধ্যতামূলক ট্যুরে যেতে হবে এবং ট্যুর ফি লাগবেনা বলে ফ্রি নেওয়া হবে বলে জানিয়ে সেখানে শর্ত জুড়ে দেন যে, ট্যুরে গিয়ে প্রশিক্ষণ হবে এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে এবং দেশ প্রতিদিন টিভি তথা DDP টেলিভিশন চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হবে, যার জন্য দশ হাজার টাকা মূল্যের টেলিভিশন পেকেজ কিনতে হবে বাধ্যতামূলক।
এই পেকেজে থাকবে বুম, ওয়্যারলেস, টি শার্ট, স্টিকার ইত্যাদি। এইসব বুমসহ বাকি সরঞ্জাম বাইরে থেকে কিনা যাবেনা, যাদুর কাছ থেকেই কিনতে হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। কেউ রাজি না হলে তাকে গ্রুপ থেকে রিমুভ করে তার থেকে হাতিয়ে নেয়া অর্থ ফেরত না দিয়ে ই তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে এসব বুম এর দাম মাত্র আঠারো শত বা দুই হাজার টাকা, যার জন্য তিনি দশ হাজার টাকা ছলনার মাধ্যমে হাতিয়ে নেন।
এভাবে প্রতারণা করে জোবায়ের হোসেন যাদু বাড়িগাড়ি তৈরি করেছেন। কোটিপতি হওয়ার সুবাধে যেখানে যায় সেখানেই বিয়ে করে কিছুদিন ভোগবিলাস করে নারীদের ছেড়ে পালিয়ে আসে। বহু নারীর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে আসারচও অভিযোগ রয়েছে যাদুর বিরুদ্ধে।
প্রতিমাসেই তার পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয় এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে পিকনিক ট্যুর হয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। জোবায়ের হোসেন যাদুর প্রতারণার শিকার সাংবাদিকরা আস্তে আস্তে এসব বিষয়ে জানতে পেরে সকলে যোগাযোগের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে এই প্রতারনার প্রতিবাদ করতে ঐক্যের ডাক দিয়ে তার প্রতারণার বিভিন্ন মেসেজ অডিও রেকর্ড, ক্লিপ ফেইসবুকে পোস্ট দিলে সারাদেশে প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
হাজারো সাংবাদিকসহ বিভিন্ন নারীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায় যে, জোবায়ের হোসেন যাদু একজন প্রতারক ও নারী লোভী। তিনি পঞ্চাশ টারও অধিক বিবাহ করেছেন এবং সবাইকে ছেড়ে পালিয়ে যান, বাচ্চাদের ভরণ পোষ্ণ দেন না। বিভিন্ন আবাসিক হোটেল বা বাসা ভাড়া করে চাকরি প্রত্যাশী নারীসহ বিভিন্ন নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে চাকরি দিবে বলে ব্লাকমেইল করে নারীদের শ্লীলতাহানি করে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে মেলামেশা করে তাদের বিয়ে না করে পালিয়ে যান।
তার পৈতৃক বাড়ি মানিকগঞ্জের নিজ এলাকার সন্ত্রাসীদের সাথে ও তার অবাধ মেলামেশা রয়েছে। জোবায়ের হোসেন যাদু ধর্ষণ মামলারও আসামি হিসেবে Rab এর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারেও ছিলেন অনেকদিন।
প্রতারণার শিকার সাংবাদিকদের বক্তব্য হলো- জোবায়ের হোসেন যাদুর "দেশ প্রতিদিন" পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল না হলে, তিনি এই পত্রিকার নাম ব্যবহার করে তার এইসব প্রতারণার কার্যক্রম চালিয়েই যাবেন এবং হাজারো সাংবাদিক, চাকরিপ্রত্যাশী ছাত্র-ছাত্রীসহ বহু অসহায় নারীদের জীবন ক্ষতি ও শঙ্কার মধ্যে পড়বে।
সাংবাদিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হয়েও সেই সাংবাদিকরাই যাদুর প্রতারনার শিকার হয়েছে এটা রাষ্ট্রের জন্য চরম অপমান জনক বিষয় এবং একটি কালো অধ্যায়। এই কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটানোর জন্য দেশ প্রতিদিন' পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল ও যাদুর গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মহল।
তার একাধিক স্ত্রী সন্তানদের ও অভিযোগ যে, তারা ভরন পোষন না পেয়ে খেয়ে না খেয়ে যাদুর অত্যাচার, মারধর ও হুমকি হয়রানির শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তার এলাকাবাসীসহ সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিক সমাজ এই ভন্ড, প্রতারক, নারী লোভী, অর্থলোভী, ধান্দাবাজ জোবায়ের হোসেন যাদুর এবং প্রতারনার আশ্রয় দান কারি আলাউদ্দিন রায়হানের দেশ প্রতিদিন পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল করে জোবায়ের হোসেন যাদুর গ্রেফতারের দাবিতে সাংবাদিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করবেন বলে জানিয়েছেন।
সরকারের কাছে সাংবাদিকদের দাবি, অনতিবিলম্বে জোবায়ের হোসেন যাদুর প্রতারণা বন্ধে দেশ প্রতিদিন' পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল করতে হবে এবং তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না নিলে অন্যান্য মুখোশধারী রাও পত্রিকা ও সম্পাদক শব্দ ব্যবহার করে প্রতারনার কাজ চালিয়ে যাওয়ার সাহস পাবে।
মুখোশধারী প্রতারকরা সাহস পেয়ে পত্রিকা ও নিরপরাধ ভালো মানের পেশাদার সত্য ধারার সম্পাদকদের এবং সাংবাদিক পেশার মধ্যে কালীমা লেপন করতে সুযোগ পাবে।
