দণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী ইউনিয়নের লম্বাপাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না; তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যৌতুকের দাবি পূরণ না করায় স্ত্রী পারভীন আক্তারকে নির্মমভাবে গলা টিপে হত্যা করেন আনোয়ার হোসেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের পরিবার বাদী হয়ে আনোয়ারসহ আটজনের বিরুদ্ধে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
মামলার পর দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ কেবল মূল অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে।
পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আজ আসামিকে সর্বোচ্চ এই শাস্তি প্রদান করেন। ভুক্তভোগী পরিবার এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
দণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী ইউনিয়নের লম্বাপাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না; তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যৌতুকের দাবি পূরণ না করায় স্ত্রী পারভীন আক্তারকে নির্মমভাবে গলা টিপে হত্যা করেন আনোয়ার হোসেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের পরিবার বাদী হয়ে আনোয়ারসহ আটজনের বিরুদ্ধে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
মামলার পর দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ কেবল মূল অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে।
পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আজ আসামিকে সর্বোচ্চ এই শাস্তি প্রদান করেন। ভুক্তভোগী পরিবার এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে।
