পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ায় চাঁদাবাজি মামলায় কেএম ইলিয়াস ওরফে সাদ্দার (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। দুই সন্তানের জননী এক প্রবাসীর স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় বুধবার দুপুরে উপজেলার বড় মাছুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইলিয়াসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার ইলিয়াস উপজেলার ভেচকী গ্রামের সেলিম খানের পুত্র।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, শহরের ৫৬নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্মুখ জনৈক মনির হোসেনের বাসায় দুই সন্তানের জননী সুমি আক্তার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন। সোমবার সন্ধ্যায় মোঃ ইমন হোসেন নামে তার এক আত্মীয় সুমির বাসায় বেড়াতে আসেন। পরে মঙ্গলবার ইলিয়াস ইমনকে আটক করে সুমির সাথে অবৈধ সম্পর্ক আছে বলে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন।
দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে সুমি অস্বীকৃতি জানালে ইলিয়াস অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সহায়তায় ইমনকে নির্জনস্থানে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ইমনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে তার বড় ভাইয়ের কাছে থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা এনে ইলিয়াসকে দেন। এঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী সুমি আক্তার বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে ইলিয়াস সহ অজ্ঞাতনামা ৩জনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন।
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রবিউল ইসলাম জানান, দুই সন্তানের জননী ও প্রবাসীর স্ত্রী সুমি আক্তারের কাছে চাঁদাদাবী ও তার স্বজনকে নির্জনস্থানে নিয়ে চাঁদা আদায়ের ঘটনায় ইলিয়াস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ বুধবার দুপুরে উপজেলার বড় মাছুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবক ইলিয়াসকে গ্রেফতার করেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত ইলিয়াসকে বুধবার দুপুরেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ
পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ায় চাঁদাবাজি মামলায় কেএম ইলিয়াস ওরফে সাদ্দার (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। দুই সন্তানের জননী এক প্রবাসীর স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় বুধবার দুপুরে উপজেলার বড় মাছুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইলিয়াসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার ইলিয়াস উপজেলার ভেচকী গ্রামের সেলিম খানের পুত্র।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, শহরের ৫৬নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্মুখ জনৈক মনির হোসেনের বাসায় দুই সন্তানের জননী সুমি আক্তার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন। সোমবার সন্ধ্যায় মোঃ ইমন হোসেন নামে তার এক আত্মীয় সুমির বাসায় বেড়াতে আসেন। পরে মঙ্গলবার ইলিয়াস ইমনকে আটক করে সুমির সাথে অবৈধ সম্পর্ক আছে বলে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন।
দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে সুমি অস্বীকৃতি জানালে ইলিয়াস অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সহায়তায় ইমনকে নির্জনস্থানে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ইমনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে তার বড় ভাইয়ের কাছে থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা এনে ইলিয়াসকে দেন। এঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী সুমি আক্তার বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে ইলিয়াস সহ অজ্ঞাতনামা ৩জনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন।
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রবিউল ইসলাম জানান, দুই সন্তানের জননী ও প্রবাসীর স্ত্রী সুমি আক্তারের কাছে চাঁদাদাবী ও তার স্বজনকে নির্জনস্থানে নিয়ে চাঁদা আদায়ের ঘটনায় ইলিয়াস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ বুধবার দুপুরে উপজেলার বড় মাছুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবক ইলিয়াসকে গ্রেফতার করেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত ইলিয়াসকে বুধবার দুপুরেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
