ঢাকা-১৫ আসনের সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে এক ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এবং বিরোধীদলীয় নেতার মধ্যে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ঢাকা-১৫ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
এলাকার ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ফুটপাত দ্রুত সংস্কার করা।
গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
মিরপুর ও আশপাশের এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন।
জনদুর্ভোগ অনতিবিলম্বে দূর করতে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি দফতর ও সংস্থাকে দ্রুত ও সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
"জনগণের সেবায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঢাকা-১৫ আসনের নাগরিকদের দুর্ভোগ কমাতে এই সমন্বয় একটি ইতিবাচক ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।"
— সংশ্লিষ্ট সূত্র
উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিতকরণের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় বিরোধীদলীয় নেতা "ডা. শফিকুর রহমান" এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী "মীর শাহে আলম" উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর প্রধানগণ এই সভায় অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন:
মো. শহিদুল হাসান (সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ)
শফিকুল ইসলাম খান (প্রশাসক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন)
আমিনুল হক (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা ওয়াসা)
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহমেদ (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডেসকো)
আব্দুল আউয়াল (প্রধান প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর)
মো. রবিউল ইসলাম (উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ)
মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান প্রকৌশলী, ডিএনসিসি)
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান (প্রধান প্রকৌশলী)
কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর (প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ডিএনসিসি)
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী (প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ডিএনসিসি)
মোস্তাক সরকার (উপ-পুলিশ কমিশনার, মিরপুর সার্কেল)
প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম (মহাব্যবস্থাপক, তিতাস গ্যাস)
ইঞ্জি. রাশিদুর রহমান (নির্বাহী পরিচালক, ডেসকো)
এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই সমন্বয় সভার সিদ্ধান্তের পর ঢাকা-১৫ আসনের নাগরিক সমস্যাগুলোর দ্রুত ও স্থায়ী সমাধান মিলবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ণ
ঢাকা-১৫ আসনের সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে এক ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এবং বিরোধীদলীয় নেতার মধ্যে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ঢাকা-১৫ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
এলাকার ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ফুটপাত দ্রুত সংস্কার করা।
গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
মিরপুর ও আশপাশের এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন।
জনদুর্ভোগ অনতিবিলম্বে দূর করতে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি দফতর ও সংস্থাকে দ্রুত ও সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
"জনগণের সেবায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঢাকা-১৫ আসনের নাগরিকদের দুর্ভোগ কমাতে এই সমন্বয় একটি ইতিবাচক ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।"
— সংশ্লিষ্ট সূত্র
উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিতকরণের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় বিরোধীদলীয় নেতা "ডা. শফিকুর রহমান" এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী "মীর শাহে আলম" উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর প্রধানগণ এই সভায় অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন:
মো. শহিদুল হাসান (সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ)
শফিকুল ইসলাম খান (প্রশাসক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন)
আমিনুল হক (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা ওয়াসা)
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহমেদ (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডেসকো)
আব্দুল আউয়াল (প্রধান প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর)
মো. রবিউল ইসলাম (উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ)
মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান প্রকৌশলী, ডিএনসিসি)
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান (প্রধান প্রকৌশলী)
কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর (প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ডিএনসিসি)
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী (প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ডিএনসিসি)
মোস্তাক সরকার (উপ-পুলিশ কমিশনার, মিরপুর সার্কেল)
প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম (মহাব্যবস্থাপক, তিতাস গ্যাস)
ইঞ্জি. রাশিদুর রহমান (নির্বাহী পরিচালক, ডেসকো)
এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই সমন্বয় সভার সিদ্ধান্তের পর ঢাকা-১৫ আসনের নাগরিক সমস্যাগুলোর দ্রুত ও স্থায়ী সমাধান মিলবে।
