আজ বুধবার তেহরানের পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় বলা হয়েছে, মার্কিন বিমান হামলার জবাবে তাদের নৌ এবং বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই বিশাল সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
আইআরজিসি-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জরুরি সামরিক বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই বিধ্বংসী হামলায় প্রধানত দুটি বড় মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের মুখে পড়েছে:
ইরানি বাহিনীর দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামোর মোট ৮৫টি নির্দিষ্ট স্পটে এই নিখুঁত ও বিধ্বংসী আক্রমণ চালানো হয়েছে।
ইরানের সামরিক নীতিনির্ধারকেরা এই যৌথ অভিযানটিকে আমেরিকার পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি এবং 'ইসলামাবাদ চুক্তি' লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে একটি ‘প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আজ বুধবার ভোরের দিকে মার্কিন বিমানবাহিনী আকস্মিকভাবে ইরানের হরমুজগান ও মাহশাহর এলাকার বেশ কয়েকটি উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটি এবং অসামরিক স্টেশনের ওপর অবৈধ আকাশ হামলা চালায়। মূলত এর পরই তেহরান এই পাল্টা আঘাত হানার চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এর আগে আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছিল যে, তাদের অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের সাহায্যে ইরানের আশিটির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে বিমান হামলা সম্পন্ন করা হয়েছে। মার্কিন সেন্টকমের সেই হামলার খবর প্রকাশ্যে আসার পর পরই ইরান তার পাল্টা জবাব দিতে বাহরাইন ও কুয়েতে আমেরিকার ৮৫টি সামরিক স্পটকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এই দাবি করল।
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে আমেরিকার এই আকস্মিক বিমান হামলাকে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার চলমান রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষের মতে, ওয়াশিংটন মূলত এই ধরনের উগ্র সামরিক হামলা চালিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে ইরানের ওই ‘ঐতিহাসিক শোকমিছিলের’ গুরুত্বকে আড়াল করার একটি ব্যর্থ অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এই পাল্টাপাল্টি হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: আল জাজিরা
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ণ
আজ বুধবার তেহরানের পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় বলা হয়েছে, মার্কিন বিমান হামলার জবাবে তাদের নৌ এবং বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই বিশাল সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
আইআরজিসি-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জরুরি সামরিক বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই বিধ্বংসী হামলায় প্রধানত দুটি বড় মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের মুখে পড়েছে:
ইরানি বাহিনীর দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামোর মোট ৮৫টি নির্দিষ্ট স্পটে এই নিখুঁত ও বিধ্বংসী আক্রমণ চালানো হয়েছে।
ইরানের সামরিক নীতিনির্ধারকেরা এই যৌথ অভিযানটিকে আমেরিকার পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি এবং 'ইসলামাবাদ চুক্তি' লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে একটি ‘প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আজ বুধবার ভোরের দিকে মার্কিন বিমানবাহিনী আকস্মিকভাবে ইরানের হরমুজগান ও মাহশাহর এলাকার বেশ কয়েকটি উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটি এবং অসামরিক স্টেশনের ওপর অবৈধ আকাশ হামলা চালায়। মূলত এর পরই তেহরান এই পাল্টা আঘাত হানার চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এর আগে আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছিল যে, তাদের অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের সাহায্যে ইরানের আশিটির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে বিমান হামলা সম্পন্ন করা হয়েছে। মার্কিন সেন্টকমের সেই হামলার খবর প্রকাশ্যে আসার পর পরই ইরান তার পাল্টা জবাব দিতে বাহরাইন ও কুয়েতে আমেরিকার ৮৫টি সামরিক স্পটকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এই দাবি করল।
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে আমেরিকার এই আকস্মিক বিমান হামলাকে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার চলমান রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষের মতে, ওয়াশিংটন মূলত এই ধরনের উগ্র সামরিক হামলা চালিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে ইরানের ওই ‘ঐতিহাসিক শোকমিছিলের’ গুরুত্বকে আড়াল করার একটি ব্যর্থ অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এই পাল্টাপাল্টি হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: আল জাজিরা
