ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে তীব্র ক্ষোভ ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "খামেনির রক্তের প্রতিশোধের আগুন আমাদের বুকে দাউ দাউ করে জ্বলছে।"
শুক্রবার (৩ জুলাই) কাতারভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তেহরানে খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানি সেনাপ্রধান এই মন্তব্য করেন।
মেজর জেনারেল আমির হাতামি তাঁর বক্তব্যে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন:
"আমরা আরও দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথে ইরানি জাতির মূল শত্রু—আমেরিকা এবং অপরাধী জায়নিস্ট (ইসরায়েল) শাসনব্যবস্থাকে জানিয়ে দিচ্ছি, শহীদ নেতা খামেনির রক্তের প্রতি ফোঁটার প্রতিশোধ আমরা নিশ্চিতভাবে নেব।"
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি আকস্মিক বিমান হামলায় নিহত হন খামেনি সিনিয়র।
তেহরানের স্পষ্ট অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে।
ইরান এই ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে এবং এই হামলার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে প্রচ্ছন্ন যুদ্ধের সূচনা হয়েছে বলে দাবি করছে।
খামেনির মৃত্যুর পর থেকেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের বিরুদ্ধে কঠোর ও অনমনীয় অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছে তেহরান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের সর্বশেষ এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিল এবং ইরানের প্রতিশোধ নেওয়ার সংকল্পকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরল।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে তীব্র ক্ষোভ ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "খামেনির রক্তের প্রতিশোধের আগুন আমাদের বুকে দাউ দাউ করে জ্বলছে।"
শুক্রবার (৩ জুলাই) কাতারভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তেহরানে খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানি সেনাপ্রধান এই মন্তব্য করেন।
মেজর জেনারেল আমির হাতামি তাঁর বক্তব্যে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন:
"আমরা আরও দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথে ইরানি জাতির মূল শত্রু—আমেরিকা এবং অপরাধী জায়নিস্ট (ইসরায়েল) শাসনব্যবস্থাকে জানিয়ে দিচ্ছি, শহীদ নেতা খামেনির রক্তের প্রতি ফোঁটার প্রতিশোধ আমরা নিশ্চিতভাবে নেব।"
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি আকস্মিক বিমান হামলায় নিহত হন খামেনি সিনিয়র।
তেহরানের স্পষ্ট অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে।
ইরান এই ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে এবং এই হামলার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে প্রচ্ছন্ন যুদ্ধের সূচনা হয়েছে বলে দাবি করছে।
খামেনির মৃত্যুর পর থেকেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের বিরুদ্ধে কঠোর ও অনমনীয় অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছে তেহরান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের সর্বশেষ এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিল এবং ইরানের প্রতিশোধ নেওয়ার সংকল্পকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরল।
